রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কলেজে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলায় একজন শিক্ষকসহ মোট ১৫ জন আহত হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কলেজ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে এই হামলা চালানো হয়েছে।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখা।
রমনা থানা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি এ.জি.এম. বাপ্পী শিক্ষক জসিম স্যারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কলেজে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। জীবন বাঁচাতে বাপ্পী ইকোনমিকস বিভাগের কক্ষে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীতে এক শিক্ষিকার সহায়তায় বের হওয়ার সময় তাঁকে পুনরায় অধ্যক্ষের কক্ষে নিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় কলেজ প্রশাসনের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম ও সমাজসেবা সম্পাদক নেয়ামত হোসেন কলেজে গেলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয় এবং দলীয় কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। নেতাকর্মীদের বাঁচাতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক খাইরুল ইসলাম হামলার শিকার হন, হামলায় তাঁর একটি দাঁত ভেঙে যায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এই হামলায় সিদ্ধেশ্বরী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল আহমেদ সানি, যুগ্ম সদস্যসচিব সম্রাট সিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সালেহ জোবায়ের, কর্মী আহসান শুভ, সিরাজুম মনির, মোস্তাকিমসহ ৩৫-৪০ জন অংশ নেয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইকোনমিকস বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ ও অধ্যক্ষের কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া, ঘটনার সময় অধ্যক্ষের ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়।
কিছু গণমাধ্যমে ঘটনাটিকে "ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ" হিসেবে প্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ সকল গণমাধ্যমের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ জানান।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, হামলা, রমনা, ঢাকা, সিসিটিভি ফুটেজ, শিক্ষার্থী আহত, শিক্ষক আহত, আইনানুগ ব্যবস্থা, ক্যাম্পাস রাজনীতি, বাংলাদেশ। Siddheswari College, Chhatra Dal, Chhatra Shibir, Attack, Ramna, Dhaka, CCTV Footage, Student Injured, Teacher Injured, Legal Action, Campus Politics, Bangladesh.

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কলেজে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রদলের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলায় একজন শিক্ষকসহ মোট ১৫ জন আহত হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কলেজ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে এই হামলা চালানো হয়েছে।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখা।
রমনা থানা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি এ.জি.এম. বাপ্পী শিক্ষক জসিম স্যারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কলেজে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। জীবন বাঁচাতে বাপ্পী ইকোনমিকস বিভাগের কক্ষে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীতে এক শিক্ষিকার সহায়তায় বের হওয়ার সময় তাঁকে পুনরায় অধ্যক্ষের কক্ষে নিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় কলেজ প্রশাসনের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম ও সমাজসেবা সম্পাদক নেয়ামত হোসেন কলেজে গেলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয় এবং দলীয় কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। নেতাকর্মীদের বাঁচাতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক খাইরুল ইসলাম হামলার শিকার হন, হামলায় তাঁর একটি দাঁত ভেঙে যায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এই হামলায় সিদ্ধেশ্বরী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল আহমেদ সানি, যুগ্ম সদস্যসচিব সম্রাট সিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সালেহ জোবায়ের, কর্মী আহসান শুভ, সিরাজুম মনির, মোস্তাকিমসহ ৩৫-৪০ জন অংশ নেয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইকোনমিকস বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ ও অধ্যক্ষের কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া, ঘটনার সময় অধ্যক্ষের ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়।
কিছু গণমাধ্যমে ঘটনাটিকে "ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ" হিসেবে প্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ সকল গণমাধ্যমের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন