বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে ১৯৬১ সালে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম এই নেতা দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ভূমি, শিক্ষা ও আইন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে সংসদ পরিচালনা করেন। এছাড়া, ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন।
আইনজীবী হিসেবে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল। তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও রাজনীতির ওপর একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং নিজ এলাকায় ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে অবদান রেখেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের আইন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে ১৯৬১ সালে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফিরে সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম এই নেতা দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ভূমি, শিক্ষা ও আইন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে সংসদ পরিচালনা করেন। এছাড়া, ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন।
আইনজীবী হিসেবে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল। তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও রাজনীতির ওপর একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং নিজ এলাকায় ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে অবদান রেখেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের আইন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আপনার মতামত লিখুন