দীর্ঘ বিরতির পর বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘জাতীয় স্থায়ী কমিটি’র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক চলে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, দলের জাতীয় কাউন্সিল, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও চলমান বন্যা পরিস্থিতিসহ দেশের সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকবিহীন হওয়ায় একে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে দলটি। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে থাকায় একক প্রার্থী নিশ্চিত করা এবং এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরুর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরুর বিষয়ে অধিকাংশ সদস্য মত দিলেও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ-সংগঠনগুলোর কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের পক্ষে মতামত উঠে আসে। এছাড়া চলতি বছরের শেষ দিকে জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা হলেও তারিখ নির্ধারিত হয়নি।
বিগত ১৭ বছরে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়। বিএনপি চেয়ারম্যানসহ অধিকাংশ সদস্য জানান, দলীয় আনুগত্যের চেয়ে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়েই নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে।
দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান জানান, দলের সাংগঠনিক অবস্থা, বন্যা পরিস্থিতি ও দেশের সমসাময়িক বিষয়গুলোই ছিল আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক সদস্য জানান, এখন থেকে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আব্দুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান প্রমুখ। এছাড়া বিদেশে চিকিৎসাধীন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ভার্চুয়ালি বৈঠকে যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের পর এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির তৃতীয় সভা। এর আগে ৪ এপ্রিল ও ১৭ মে কমিটির দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
দীর্ঘ বিরতির পর বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘জাতীয় স্থায়ী কমিটি’র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক চলে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, দলের জাতীয় কাউন্সিল, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও চলমান বন্যা পরিস্থিতিসহ দেশের সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকবিহীন হওয়ায় একে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে দলটি। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে থাকায় একক প্রার্থী নিশ্চিত করা এবং এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরুর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরুর বিষয়ে অধিকাংশ সদস্য মত দিলেও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ-সংগঠনগুলোর কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের পক্ষে মতামত উঠে আসে। এছাড়া চলতি বছরের শেষ দিকে জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনা হলেও তারিখ নির্ধারিত হয়নি।
বিগত ১৭ বছরে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়। বিএনপি চেয়ারম্যানসহ অধিকাংশ সদস্য জানান, দলীয় আনুগত্যের চেয়ে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়েই নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে।
দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান জানান, দলের সাংগঠনিক অবস্থা, বন্যা পরিস্থিতি ও দেশের সমসাময়িক বিষয়গুলোই ছিল আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক সদস্য জানান, এখন থেকে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আব্দুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান প্রমুখ। এছাড়া বিদেশে চিকিৎসাধীন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ভার্চুয়ালি বৈঠকে যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের পর এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির তৃতীয় সভা। এর আগে ৪ এপ্রিল ও ১৭ মে কমিটির দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন