বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণআন্দোলনের শহীদরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এ জাতিকে এক মহৎ ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন।
আমরা তাদের কাছে চিরঋণী। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়বিচারভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই কেবল আমরা তাদের এই ঋণ আংশিক পরিশোধ করতে পারি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় ও বেদনাবিধুর দিন। তিনি বৈষম্য ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদ ভাই-বোনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের আত্মত্যাগ সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। পরবর্তীতে এই আন্দোলন ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের এক দফার গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর একাংশকে ব্যবহার করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এই ভয়াবহতায় প্রায় দেড় হাজার মানুষ শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ গুরুতর আহত হন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “অবশেষে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের একনায়কতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। শেখ হাসিনাসহ তার দলের শীর্ষ নেতারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। দেশের জনগণ আজ যে মুক্ত ও স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছে, তা জুলাই আন্দোলনেরই ফসল।”
বিবৃতিতে তিনি দৃঢ় শপথ ব্যক্ত করে বলেন, শহীদদের এই রক্ত যেন কোনোভাবেই বৃথা না যায়। তিনি আগামী ১৬ জুলাই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে যথাযথ মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করার জন্য দলীয় সকল শাখা ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণআন্দোলনের শহীদরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এ জাতিকে এক মহৎ ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন।
আমরা তাদের কাছে চিরঋণী। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়বিচারভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই কেবল আমরা তাদের এই ঋণ আংশিক পরিশোধ করতে পারি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় ও বেদনাবিধুর দিন। তিনি বৈষম্য ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদ ভাই-বোনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের আত্মত্যাগ সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। পরবর্তীতে এই আন্দোলন ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের এক দফার গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর একাংশকে ব্যবহার করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এই ভয়াবহতায় প্রায় দেড় হাজার মানুষ শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ গুরুতর আহত হন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “অবশেষে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের একনায়কতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। শেখ হাসিনাসহ তার দলের শীর্ষ নেতারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। দেশের জনগণ আজ যে মুক্ত ও স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছে, তা জুলাই আন্দোলনেরই ফসল।”
বিবৃতিতে তিনি দৃঢ় শপথ ব্যক্ত করে বলেন, শহীদদের এই রক্ত যেন কোনোভাবেই বৃথা না যায়। তিনি আগামী ১৬ জুলাই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে যথাযথ মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করার জন্য দলীয় সকল শাখা ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন