জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় ছাত্রশক্তির আয়োজিত ‘স্মৃতিগাঁথায় জুলাই বিপ্লবের দিনগুলি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনার মামলার রায়ের পর আপিল করার জন্য ৩০ দিনের সময় ছিল। সেই সময়ের মধ্যে তার পক্ষ থেকে কেউ আপিল করেনি। তাই এখন আর কোনো আপিলের সুযোগ নেই। আমরা আশা করি, মহামান্য আদালত ফাঁসির রায় বহাল রেখে তা কার্যকরের ঘোষণা দেবেন।”
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকারকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কবে আসবেন। তিনি দেশে আসা মাত্রই বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকর করতে হবে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, “স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য ও শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণাধর্মী ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ অপরিহার্য।”
গত ১৫ জুলাইয়ের হামলাকারীদের তালিকা প্রকাশ ও তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা হামলা চালিয়েছে এবং যেসব শিক্ষক এই হামলাকে সমর্থন দিয়েছেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
নতুন বাংলাদেশের রাজনীতির রূপরেখা টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাইয়ের রাজনীতিই হবে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি। আমরা আর স্বৈরতন্ত্রে ফিরে যাব না। আমরা একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে চাই।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল আমিন ও আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্যসচিব মাহীন সরকার, যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় ছাত্রশক্তির আয়োজিত ‘স্মৃতিগাঁথায় জুলাই বিপ্লবের দিনগুলি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনার মামলার রায়ের পর আপিল করার জন্য ৩০ দিনের সময় ছিল। সেই সময়ের মধ্যে তার পক্ষ থেকে কেউ আপিল করেনি। তাই এখন আর কোনো আপিলের সুযোগ নেই। আমরা আশা করি, মহামান্য আদালত ফাঁসির রায় বহাল রেখে তা কার্যকরের ঘোষণা দেবেন।”
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকারকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কবে আসবেন। তিনি দেশে আসা মাত্রই বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকর করতে হবে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, “স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য ও শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণাধর্মী ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ অপরিহার্য।”
গত ১৫ জুলাইয়ের হামলাকারীদের তালিকা প্রকাশ ও তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা হামলা চালিয়েছে এবং যেসব শিক্ষক এই হামলাকে সমর্থন দিয়েছেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
নতুন বাংলাদেশের রাজনীতির রূপরেখা টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাইয়ের রাজনীতিই হবে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি। আমরা আর স্বৈরতন্ত্রে ফিরে যাব না। আমরা একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে চাই।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল আমিন ও আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্যসচিব মাহীন সরকার, যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার।

আপনার মতামত লিখুন