রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতি না দেওয়াকে মানবতার ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হলে তা মেধার অপচয় ঘটায় এবং দেশের মারাত্মক ক্ষতি করে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কত মেধাবী চিকিৎসক ও পেশাজীবীকে বছরের পর বছর বঞ্চিত রাখা হয়েছে। যোগ্য ও মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও কেবল পরিচয়ের কারণে তাদের প্রমোশন দেওয়া হয়নি। ফলে অনেক মেধাবী হয় দেশ ছেড়েছেন, নয়তো নিজের বিকাশের পথ হারিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি ৫ আগস্টের পরিবর্তন না হতো, তবে অনেক দক্ষ চিকিৎসক আজীবন মেডিকেল অফিসার হিসেবেই রয়ে যেতেন। যারা অধ্যাপক বা সহকারী অধ্যাপক হওয়ার যোগ্য, তাদের সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা ছিল।’
বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যখাতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আশাবাদী, পরিস্থিতির অনেক উত্তরণ ঘটেছে। বর্তমান সরকার মেডিকেল ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে। ক্যান্সার, কিডনি ও হার্টের মতো দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসার খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে সরকার কাজ করছে। চিকিৎসার ব্যয় কমিয়ে আনার জন্য যেসব সুপারিশ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ বড় ধরনের স্বস্তি পাবে।’
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নেতৃত্বে যদি গোটা বাংলাদেশ না থাকে, তবে সেই নেতৃত্ব দেশের কোনো উপকারে আসে না। বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।’
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতি না দেওয়াকে মানবতার ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হলে তা মেধার অপচয় ঘটায় এবং দেশের মারাত্মক ক্ষতি করে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কত মেধাবী চিকিৎসক ও পেশাজীবীকে বছরের পর বছর বঞ্চিত রাখা হয়েছে। যোগ্য ও মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও কেবল পরিচয়ের কারণে তাদের প্রমোশন দেওয়া হয়নি। ফলে অনেক মেধাবী হয় দেশ ছেড়েছেন, নয়তো নিজের বিকাশের পথ হারিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি ৫ আগস্টের পরিবর্তন না হতো, তবে অনেক দক্ষ চিকিৎসক আজীবন মেডিকেল অফিসার হিসেবেই রয়ে যেতেন। যারা অধ্যাপক বা সহকারী অধ্যাপক হওয়ার যোগ্য, তাদের সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা ছিল।’
বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যখাতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আশাবাদী, পরিস্থিতির অনেক উত্তরণ ঘটেছে। বর্তমান সরকার মেডিকেল ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে। ক্যান্সার, কিডনি ও হার্টের মতো দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসার খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে সরকার কাজ করছে। চিকিৎসার ব্যয় কমিয়ে আনার জন্য যেসব সুপারিশ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ বড় ধরনের স্বস্তি পাবে।’
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘নেতৃত্বে যদি গোটা বাংলাদেশ না থাকে, তবে সেই নেতৃত্ব দেশের কোনো উপকারে আসে না। বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন