সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠে এসেছে।
এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, পরিকল্পিতভাবে জিম্মি করে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে এবং পরে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে ঢাকার মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে অবস্থানের এক পর্যায়ে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ ৫-৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করে।
জিম্মি অবস্থায় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয় এবং ব্যবহৃত ভাড়ার গাড়ি আটকে রেখে আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়।
এমপি জানান, পারিবারিক বিরোধ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেখানে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে তা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হিসেবে প্রচার করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
তিনি স্পষ্ট জানান, গত ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে পারিবারিকভাবেই মরিয়ম বেগমের সাথে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে জামায়াতের মিডিয়া সেলে দুটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করা হয়:
প্রথম স্ত্রী ভিডিওতে জানান, তার সম্মতিতেই দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহ এবং স্ত্রী মরিয়ম বেগমও বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রমূলক উল্লেখ করে তাদের বিয়ে বৈধ বলে দাবি করেন।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল চালিত 'ক্রাইম বার্তা'র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ভিডিও। তবে এমপির সাম্প্রতিক বক্তব্যে বিষয়টি জিম্মি করে ধারণকৃত আসল ভিডিও হিসেবে উন্মোচিত হলো। এমপি ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠে এসেছে।
এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, পরিকল্পিতভাবে জিম্মি করে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে এবং পরে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে ঢাকার মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে অবস্থানের এক পর্যায়ে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ ৫-৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে তাদের জিম্মি করে।
জিম্মি অবস্থায় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয় এবং ব্যবহৃত ভাড়ার গাড়ি আটকে রেখে আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়।
এমপি জানান, পারিবারিক বিরোধ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেখানে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে তা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হিসেবে প্রচার করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
তিনি স্পষ্ট জানান, গত ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে পারিবারিকভাবেই মরিয়ম বেগমের সাথে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে জামায়াতের মিডিয়া সেলে দুটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করা হয়:
প্রথম স্ত্রী ভিডিওতে জানান, তার সম্মতিতেই দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহ এবং স্ত্রী মরিয়ম বেগমও বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রমূলক উল্লেখ করে তাদের বিয়ে বৈধ বলে দাবি করেন।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল চালিত 'ক্রাইম বার্তা'র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ভিডিও। তবে এমপির সাম্প্রতিক বক্তব্যে বিষয়টি জিম্মি করে ধারণকৃত আসল ভিডিও হিসেবে উন্মোচিত হলো। এমপি ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন