নজর বিডি
প্রকাশ : রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ট্রেনের স্টাফের ছুরিকাঘাতে বাবা-ছেলে আহত, তদন্ত কমিটি গঠন

ট্রেনের স্টাফের ছুরিকাঘাতে বাবা-ছেলে আহত, তদন্ত কমিটি গঠন

কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের এক স্টাফের বিরুদ্ধে বাবা ও ছেলেকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনার জেরে উত্তেজিত যাত্রী ও স্থানীয় জনতা ট্রেন আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসটি প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট স্টেশনে আটকা পড়ে থাকে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

ছুরিকাঘাতে আহত ব্যক্তিরা হলেন— শফিউল আওয়াল সুমন (৪০) এবং তাঁর বাবা আব্দুর রহিম (৬৫)। ঘটনার পর তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে ট্রেনটি কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে প্রবেশ করে এবং নির্ধারিত বিরতি শেষে ১২টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। তবে ছাড়ার তিন মিনিটের মাথায় (১২:৩৩ মিনিটে) ট্রেনের স্টাফদের সাথে যাত্রীদের বাকবিতণ্ডা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে এসি চেইন পুল করে গাড়িটি থামিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দুপুর ২টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনটি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনা তদন্তে পাকশী বিভাগের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সিআরএনবি, ডিটিও, ডিসিও, ডিএমই (সিএন্ডডব্লিউ) এবং ডিএমও-কে রাখা হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ট্রেনের স্টাফের ছুরিকাঘাতে বাবা-ছেলে আহত, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের এক স্টাফের বিরুদ্ধে বাবা ও ছেলেকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনার জেরে উত্তেজিত যাত্রী ও স্থানীয় জনতা ট্রেন আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসটি প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট স্টেশনে আটকা পড়ে থাকে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

ছুরিকাঘাতে আহত ব্যক্তিরা হলেন— শফিউল আওয়াল সুমন (৪০) এবং তাঁর বাবা আব্দুর রহিম (৬৫)। ঘটনার পর তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে ট্রেনটি কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে প্রবেশ করে এবং নির্ধারিত বিরতি শেষে ১২টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। তবে ছাড়ার তিন মিনিটের মাথায় (১২:৩৩ মিনিটে) ট্রেনের স্টাফদের সাথে যাত্রীদের বাকবিতণ্ডা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে এসি চেইন পুল করে গাড়িটি থামিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দুপুর ২টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনটি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনা তদন্তে পাকশী বিভাগের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সিআরএনবি, ডিটিও, ডিসিও, ডিএমই (সিএন্ডডব্লিউ) এবং ডিএমও-কে রাখা হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত