আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ইয়াসিন সুপার মার্কেটের সামনে জামায়াতে ইসলাম ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীসহ জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা শফিকুর রহমানের মুক্তি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে যানচলাচলে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছিল।
এসময় তারা বিভিন্ন গাড়ী কাঁচ ভাঙচুর শুর করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে। তাদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে পুলিশ সদস্য মাজহারুল ও সাইদুর আহত হন। এসময় ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ উপস্থিত হলে তারা একটি ককটেল বিস্ফোরণ কর পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে জামায়াতে আমির শফিকুর রহমানসহ সকল নেতাকর্মীকে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল লেখা একটি ব্যানার, বিস্ফোরিত ককটেলের বিভিন্ন অংশবিশেষ, গাড়ির গ্লাস ভাঙ্গার কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনার পর ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এই মামলায় গতকাল আটককৃত ২২ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ বলেন, আটকদের পূর্বের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এরআগে আটকদের যাচাইবাছাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় তারা ওই রেষ্টুরেন্টে বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলো।
আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ইয়াসিন সুপার মার্কেটের সামনে জামায়াতে ইসলাম ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীসহ জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা শফিকুর রহমানের মুক্তি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে যানচলাচলে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছিল।
এসময় তারা বিভিন্ন গাড়ী কাঁচ ভাঙচুর শুর করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করে। তাদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে পুলিশ সদস্য মাজহারুল ও সাইদুর আহত হন। এসময় ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ উপস্থিত হলে তারা একটি ককটেল বিস্ফোরণ কর পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে জামায়াতে আমির শফিকুর রহমানসহ সকল নেতাকর্মীকে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল লেখা একটি ব্যানার, বিস্ফোরিত ককটেলের বিভিন্ন অংশবিশেষ, গাড়ির গ্লাস ভাঙ্গার কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনার পর ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এই মামলায় গতকাল আটককৃত ২২ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ বলেন, আটকদের পূর্বের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এরআগে আটকদের যাচাইবাছাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় তারা ওই রেষ্টুরেন্টে বসে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলো।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন