আন্দোলনের গুলিতে পোশাক শ্রমিক শাহআলমের মৃত্যু।কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় বাড্ডা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন পোশাক শ্রমিক শাহআলম (৪০)। তাকে ভর্তি করা হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাহআলমের ভাই আবু তাহের জানান, রামপুরা ওয়টপদা রোডে স্ত্রী শিল্পি আক্তার ও তিন সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন শাহআলম। কাজ করতেন একটি পোশাক কারখানায়। গত ১৯ জুলাই দুপুরে বাড্ডায় আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শাহাালমের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে। বাবার নাম রেনু মিয়া।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়াই শাহআলমের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আন্দোলনের গুলিতে পোশাক শ্রমিক শাহআলমের মৃত্যু।কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় বাড্ডা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন পোশাক শ্রমিক শাহআলম (৪০)। তাকে ভর্তি করা হয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাহআলমের ভাই আবু তাহের জানান, রামপুরা ওয়টপদা রোডে স্ত্রী শিল্পি আক্তার ও তিন সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন শাহআলম। কাজ করতেন একটি পোশাক কারখানায়। গত ১৯ জুলাই দুপুরে বাড্ডায় আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শাহাালমের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে। বাবার নাম রেনু মিয়া।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়াই শাহআলমের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন