মাজারে হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ-প্রধান উপদেষ্টা
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন স্থানে মাজারে হামলার ঘটনায় সোস্যাল মিডিয়াসহ সারাদেশে তোলপাড় । মাজারে হামলা বন্ধে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইং জানায়, গত কিছু দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজারে হামলা চালাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
এসব হামলার ব্যাপারে সরকার অবগত। মাজার, ধর্মীয় স্থান ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোর বিরুদ্ধে যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং এগুলোর ওপর হামলা বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।
এসব হামলায় জড়িত অসাধু শক্তিগুলোকে আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ করছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সমস্ত বিশ্বাসের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি যে, আমরা সম্প্রীতির দেশ হিসেবেই থাকবো এবং ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার কোনো প্রচেষ্টাকে কোনো বৈষম্য ছাড়াই কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
মাজারে হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ-প্রধান উপদেষ্টা
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন স্থানে মাজারে হামলার ঘটনায় সোস্যাল মিডিয়াসহ সারাদেশে তোলপাড় । মাজারে হামলা বন্ধে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইং জানায়, গত কিছু দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজারে হামলা চালাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
এসব হামলার ব্যাপারে সরকার অবগত। মাজার, ধর্মীয় স্থান ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থান এবং সুফি মাজারগুলোর বিরুদ্ধে যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং এগুলোর ওপর হামলা বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।
এসব হামলায় জড়িত অসাধু শক্তিগুলোকে আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ করছে।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সমস্ত বিশ্বাসের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি যে, আমরা সম্প্রীতির দেশ হিসেবেই থাকবো এবং ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার কোনো প্রচেষ্টাকে কোনো বৈষম্য ছাড়াই কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন