নজর বিডি

উত্তরায় কিশোর গ্যাংদের মদ সরবরাহ করছে মারগারিটা

উত্তরায় কিশোর গ্যাংদের মদ সরবরাহ করছে মারগারিটা
কিশোর ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝে মদ পরিবেশন করছে মারগারিটা এমনটা অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মাসুমের বিরুদ্ধে । এছাড়াও মদ পানের অনুমতি পত্র না থাকলেও নির্বিঘ্নে তাদেরকেউ সেবা দিচ্ছেন মারগারিটা এমন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে নতুন নয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, উত্তরায় মহাশড়ক ঘেষে মদের বারে চলছে রাতভর ডিসকো, দেহ ব্যাবসা। রাজধানীর মেগা সিটি উত্তরার জসিম উদ্দীন এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক ঘেষে একটি বহুতল ভবনের ৬, ১০,১১ তলা নিয়ে মারগারিটা নামক একটি বার রয়েছে।কোন রুপ নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যাবসা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মাসুম। বারটিতে অ্যালকোহল বা মদ উৎপাদন, কেনাবেচা, পান করা, পরিবহন, আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারের বিধিমালা অনুসরণ করা হয়নি বরং রীতিমত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে এই বার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের নিবার্হী আদেশে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ এর আওতায় সরকারের বিধিমালার বিপরীতে রাতভর নাচানাচি ও অশ্লিল কর্যক্রমে চলে সেখানে একাধীক সূত্রে জানা গেছে । এছাড়াও বার টিতে রাতভর দেহ ব্যাবসা ও অনুমতি বিহীন মদ্যপায়ীদের মদ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এবিষয়ে মারগারিটার চেয়ারম্যান মাসুম মুঠোফোনে জানান, অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে আমার স্ট্রেট বলা আছে। কিন্তু অনেক সময় কিশোর গ্যাং এর ছেলেপেলে ঝামেলা করে। তাদেরকে ঢুকতে না দিলে আমার স্টাফদের মারধর করে। নারকোটিকস এর বিধিমালা ২০২৪ মুসলিম প্রভিশন রুল ১৯৫০' ও ' এক্সাইজ ম্যানুয়াল ( ভলিউম-২) নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ২১ বছরের নিচের কেউ মদ পানের পারমিট পাবেন না। মুসলিম হলে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদমর্যাদার চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র লাগবে।  তবে দূর্ঘটনা এড়াতে মহশড়কের পাশে বার বন্ধের নীতিমালাও রয়েছে। এ বিষয়ে নারকোটিকসের ঢাকা মেট্রো-উত্তর উপপরিদর্শক শামীম আহম্মেদ বলেন, আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দেন এ ধরনের অভিযোগ অবশ্যই পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কোটিপতি ঘরের বিলাশ বহুল ধনাট্য পরিবারের শিক্ষার্থীরাই ঐবারের খদ্দেরদের একটি বড় অংশ। রাতভর অশ্লিলতায় মদ ও মেয়ে দিয়ে তাদের নিকট থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কয়েক কোটি টাকা। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম না মেনে শুক্র বারেও বার খোলা রাখছেন। তবে বর্তমানে ডেকোরেশন কাজে ২ দিন ধরে ১০ তলা বন্ধ থাকলেও সরবরাহ করে যাচ্ছেন। শুক্রবার, মহররম, শবে বরাত, ঈদে মিলাদুন্নবী, শবে কদর, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং সরকার নির্ধারিত দিনে অফ শপ, অন শপ ও দেশি মদের দোকান বন্ধ রাখার বিধান রেখে বিধিমালা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী, মদের বার বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে লেট ক্লোজিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে রাত ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বারে যেমন নিয়ম নেই নাচ-গান বা ডিসকোর, তেমনি পারমিটধারী ছাড়া অন্য কারও নেই প্রবেশাধিকার। কিন্তু এই নিয়মের তোয়াক্কা করছে না মার্গারিটা নামক মদ ব্যাবসীয় প্রতিষ্টানটি। ============

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


উত্তরায় কিশোর গ্যাংদের মদ সরবরাহ করছে মারগারিটা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৪

featured Image
কিশোর ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝে মদ পরিবেশন করছে মারগারিটা এমনটা অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মাসুমের বিরুদ্ধে । এছাড়াও মদ পানের অনুমতি পত্র না থাকলেও নির্বিঘ্নে তাদেরকেউ সেবা দিচ্ছেন মারগারিটা এমন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে নতুন নয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, উত্তরায় মহাশড়ক ঘেষে মদের বারে চলছে রাতভর ডিসকো, দেহ ব্যাবসা। রাজধানীর মেগা সিটি উত্তরার জসিম উদ্দীন এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক ঘেষে একটি বহুতল ভবনের ৬, ১০,১১ তলা নিয়ে মারগারিটা নামক একটি বার রয়েছে।কোন রুপ নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যাবসা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মাসুম। বারটিতে অ্যালকোহল বা মদ উৎপাদন, কেনাবেচা, পান করা, পরিবহন, আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকারের বিধিমালা অনুসরণ করা হয়নি বরং রীতিমত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে এই বার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের নিবার্হী আদেশে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’ এর আওতায় সরকারের বিধিমালার বিপরীতে রাতভর নাচানাচি ও অশ্লিল কর্যক্রমে চলে সেখানে একাধীক সূত্রে জানা গেছে । এছাড়াও বার টিতে রাতভর দেহ ব্যাবসা ও অনুমতি বিহীন মদ্যপায়ীদের মদ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এবিষয়ে মারগারিটার চেয়ারম্যান মাসুম মুঠোফোনে জানান, অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে আমার স্ট্রেট বলা আছে। কিন্তু অনেক সময় কিশোর গ্যাং এর ছেলেপেলে ঝামেলা করে। তাদেরকে ঢুকতে না দিলে আমার স্টাফদের মারধর করে। নারকোটিকস এর বিধিমালা ২০২৪ মুসলিম প্রভিশন রুল ১৯৫০' ও ' এক্সাইজ ম্যানুয়াল ( ভলিউম-২) নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ২১ বছরের নিচের কেউ মদ পানের পারমিট পাবেন না। মুসলিম হলে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদমর্যাদার চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র লাগবে।  তবে দূর্ঘটনা এড়াতে মহশড়কের পাশে বার বন্ধের নীতিমালাও রয়েছে। এ বিষয়ে নারকোটিকসের ঢাকা মেট্রো-উত্তর উপপরিদর্শক শামীম আহম্মেদ বলেন, আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দেন এ ধরনের অভিযোগ অবশ্যই পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কোটিপতি ঘরের বিলাশ বহুল ধনাট্য পরিবারের শিক্ষার্থীরাই ঐবারের খদ্দেরদের একটি বড় অংশ। রাতভর অশ্লিলতায় মদ ও মেয়ে দিয়ে তাদের নিকট থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কয়েক কোটি টাকা। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম না মেনে শুক্র বারেও বার খোলা রাখছেন। তবে বর্তমানে ডেকোরেশন কাজে ২ দিন ধরে ১০ তলা বন্ধ থাকলেও সরবরাহ করে যাচ্ছেন। শুক্রবার, মহররম, শবে বরাত, ঈদে মিলাদুন্নবী, শবে কদর, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং সরকার নির্ধারিত দিনে অফ শপ, অন শপ ও দেশি মদের দোকান বন্ধ রাখার বিধান রেখে বিধিমালা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী, মদের বার বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে লেট ক্লোজিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে রাত ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বারে যেমন নিয়ম নেই নাচ-গান বা ডিসকোর, তেমনি পারমিটধারী ছাড়া অন্য কারও নেই প্রবেশাধিকার। কিন্তু এই নিয়মের তোয়াক্কা করছে না মার্গারিটা নামক মদ ব্যাবসীয় প্রতিষ্টানটি। ============

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত