কুমিল্লায় ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় গুলি-ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাণীর দিঘির পাড় ও ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় কিছু ছেলে খেলছিল। এ সময় কিশোর গ্যাংয়ের শতাধিক সদস্য শটগান, চাইনিজ কুড়াল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় শটগানের গুলি ছোড়ে তারা।
স্থানীয়রা জানান, মহিলা কলেজ রোড এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রথমে হামলা চালায়। পরে ধর্মপুর এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা পাল্টা হামলা চালানোর চেষ্টা করে। তবে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসায় দুই গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে না পেরে ধর্মপুর এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী ব্যাংকের সামনে জড়ো হয়। সেখানে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে ধর্মপুরের দিকে চলে যায়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম জানান, শহরজুড়ে পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
কুমিল্লায় ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় গুলি-ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাণীর দিঘির পাড় ও ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় কিছু ছেলে খেলছিল। এ সময় কিশোর গ্যাংয়ের শতাধিক সদস্য শটগান, চাইনিজ কুড়াল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় শটগানের গুলি ছোড়ে তারা।
স্থানীয়রা জানান, মহিলা কলেজ রোড এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রথমে হামলা চালায়। পরে ধর্মপুর এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা পাল্টা হামলা চালানোর চেষ্টা করে। তবে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসায় দুই গ্রুপের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে না পেরে ধর্মপুর এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী ব্যাংকের সামনে জড়ো হয়। সেখানে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে ধর্মপুরের দিকে চলে যায়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম জানান, শহরজুড়ে পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন