নজর বিডি

শিশু অপহরণ ও হত্যার ৭২ দিন পর গ্রেপ্তার দুই প্রতিবেশী

শিশু অপহরণ ও হত্যার ৭২ দিন পর গ্রেপ্তার দুই প্রতিবেশী
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ঝগড়ার জেরে প্রতিশোধ নিতে সাত বছরের এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে। ৭২ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন তানজিল (২৪) ও নুর মোহাম্মদ ওরফে শাহ আলম (২০)। নিহত মুস্তাকিন (৭) ও অভিযুক্তরা একই বাড়ির ভাড়াটে ছিলেন। জানা গেছে, মুস্তাকিনের বাবা হাশিম মিয়ার সঙ্গে তানজিলের একটি মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধ হয়। এর জেরে তানজিল তার সহযোগী নুর মোহাম্মদের সঙ্গে শিশুটিকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন। ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ২০ টাকা ও চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভনে মুস্তাকিনকে ফুঁসলে নিয়ে যান তারা। পরে কেরানীগঞ্জের কাওটাইল এলাকায় একটি ঝোপের মধ্যে শিশুটিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ফেলে রেখে আসেন। হত্যার পর তারা স্বাভাবিকভাবে শিশুটির পরিবারকে খোঁজার অভিনয় করেন এবং মাইকিং পর্যন্ত করেন। ১৮ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ থানা–পুলিশ একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে দাফন করে। দীর্ঘ তদন্তের পর ১৯ মার্চ সকালে ময়মনসিংহ থেকে তানজিল ও নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। নিহত শিশুটির পরিবার কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত পোশাক দেখে শিশুটির পরিচয় শনাক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


শিশু অপহরণ ও হত্যার ৭২ দিন পর গ্রেপ্তার দুই প্রতিবেশী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৫

featured Image
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ঝগড়ার জেরে প্রতিশোধ নিতে সাত বছরের এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে। ৭২ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন তানজিল (২৪) ও নুর মোহাম্মদ ওরফে শাহ আলম (২০)। নিহত মুস্তাকিন (৭) ও অভিযুক্তরা একই বাড়ির ভাড়াটে ছিলেন। জানা গেছে, মুস্তাকিনের বাবা হাশিম মিয়ার সঙ্গে তানজিলের একটি মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধ হয়। এর জেরে তানজিল তার সহযোগী নুর মোহাম্মদের সঙ্গে শিশুটিকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন। ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ২০ টাকা ও চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভনে মুস্তাকিনকে ফুঁসলে নিয়ে যান তারা। পরে কেরানীগঞ্জের কাওটাইল এলাকায় একটি ঝোপের মধ্যে শিশুটিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে ফেলে রেখে আসেন। হত্যার পর তারা স্বাভাবিকভাবে শিশুটির পরিবারকে খোঁজার অভিনয় করেন এবং মাইকিং পর্যন্ত করেন। ১৮ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ থানা–পুলিশ একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে দাফন করে। দীর্ঘ তদন্তের পর ১৯ মার্চ সকালে ময়মনসিংহ থেকে তানজিল ও নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। নিহত শিশুটির পরিবার কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত পোশাক দেখে শিশুটির পরিচয় শনাক্ত করেছে।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত