বায়িং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসা! গ্রেফতার ৪
রাজধানী ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ অভিযানে ইয়াবার ইতিহাসে অন্যতম বড় চালান জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) হাতিরঝিল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১ লক্ষ ৬০ হাজার পিস অ্যামফেটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
শনিবার (২২ মার্চ) দুপুরে এবিষয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তেজগাঁও ঢাকা উত্তর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম বলেন, অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে, যা একটি হুন্দাই (SANTAFE )প্রাইভেটকারের নিচের বিশেষভাবে ঝালাই করা প্যানেলে লুকানো ছিল।এসময় নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়।১. মোঃ নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪)২. মোঃ আল মামুন (৩২)
৩. মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬),৪. তানিয়া (৩২), ফারুকের স্ত্রী।
তিনি আরো বলেন,তাদের সবাই রাজধানীর ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় বসবাস করলেও, মাদকের উৎস ছিল কক্সবাজারের টেকনাফ। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বায়িং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে বিলাসবহুল গাড়িতে ইয়াবা পাচার করছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে তারা অত্যন্ত সুচতুর কৌশল গ্রহণ করে আসছিল।
তদন্তে জানা গেছে, আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে ইয়াবার এই বিশাল চালানটি ঢাকায় আনা হচ্ছিল। অভিযানে প্রায় ৭ কিলোমিটার ধাওয়া করে গাড়িটি আটক করা হয়। প্রথমে গাড়ির ভেতর কিছু না পাওয়া গেলেও গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী গাড়ির প্যানেল খুলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রমনা সার্কেলের পরিদর্শক মো: লোকমান হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির মানি লন্ডারিংসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
অধিদপ্তরের সদ্য যোগদানকৃত মহাপরিচালক মো: হাসান মারুফ এই অভিযানসহ সব অপারেশনাল কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে অধিদপ্তরের চলমান অভিযানগুলোতে গতি ও কার্যকারিতা বহুগুণে বেড়েছে।
বায়িং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসা! গ্রেফতার ৪
প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৫
রাজধানী ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ অভিযানে ইয়াবার ইতিহাসে অন্যতম বড় চালান জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) হাতিরঝিল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১ লক্ষ ৬০ হাজার পিস অ্যামফেটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
শনিবার (২২ মার্চ) দুপুরে এবিষয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তেজগাঁও ঢাকা উত্তর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম বলেন, অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে, যা একটি হুন্দাই (SANTAFE )প্রাইভেটকারের নিচের বিশেষভাবে ঝালাই করা প্যানেলে লুকানো ছিল।এসময় নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়।১. মোঃ নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪)২. মোঃ আল মামুন (৩২)
৩. মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬),৪. তানিয়া (৩২), ফারুকের স্ত্রী।
তিনি আরো বলেন,তাদের সবাই রাজধানীর ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় বসবাস করলেও, মাদকের উৎস ছিল কক্সবাজারের টেকনাফ। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বায়িং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে বিলাসবহুল গাড়িতে ইয়াবা পাচার করছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে তারা অত্যন্ত সুচতুর কৌশল গ্রহণ করে আসছিল।
তদন্তে জানা গেছে, আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে ইয়াবার এই বিশাল চালানটি ঢাকায় আনা হচ্ছিল। অভিযানে প্রায় ৭ কিলোমিটার ধাওয়া করে গাড়িটি আটক করা হয়। প্রথমে গাড়ির ভেতর কিছু না পাওয়া গেলেও গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী গাড়ির প্যানেল খুলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রমনা সার্কেলের পরিদর্শক মো: লোকমান হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির মানি লন্ডারিংসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
অধিদপ্তরের সদ্য যোগদানকৃত মহাপরিচালক মো: হাসান মারুফ এই অভিযানসহ সব অপারেশনাল কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে অধিদপ্তরের চলমান অভিযানগুলোতে গতি ও কার্যকারিতা বহুগুণে বেড়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন