রাজধানীর সবচেয়ে বড় গবাদি পশুর হাট গাবতলীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু, মহিষ, ভেড়া, দুম্বা ও খাসি নিয়ে আসছেন ব্যাপারীরা।
হাটে নানা আকারের পশু উঠলেও এখন পর্যন্ত ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে কসবা থেকে আনা দুটি বিশাল আকৃতির গরু। আদর করে এদের নাম রাখা হয়েছে ‘কালা জামাই’ ও ‘সাদা জামাই’।
গাবতলী হাটের ১ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়ে ভিন্ন এক দৃশ্য। প্রবেশপথের কাছেই রাখা এই বিশাল গরু দুটিকে দেখতে ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ। অনেকে আবার ছবি ও ভিডিও তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।
তীব্র গরমে গরু দুটিকে শান্ত রাখতে পরিচর্যাকারীদের ব্যস্ততার শেষ নেই। তাদের জন্য ওপরে ও নিচে বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পরপরই বোতল থেকে পানি দিয়ে গামছা ভিজিয়ে গরু দুটির গা মুছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, দীর্ঘ সময় ও পরম যত্নে গরু দুটিকে বড় করা হয়েছে। ‘কালা জামাই’কে প্রায় ৫ বছর এবং ‘সাদা জামাই’কে প্রায় ৩ বছর ধরে লালন-পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘কালা জামাই’র ওজন প্রায় ১,৫৫ো কেজি এবং ‘সাদা জামাই’র ওজন প্রায় ১,৩০০ কেজি। বিশাল আকৃতির কারণে এদের দামও হাঁকা হচ্ছে বেশ চড়া। ‘কালা জামাই’ এর জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং ‘সাদা জামাই’ এর জন্য ২৫ লাখ টাকা চাচ্ছেন বিক্রেতা।
গরু দুটির মালিক হাজি ইয়াকুব মিয়া হলেও হাটে বিক্রির দায়িত্বে রয়েছেন মো. মামুন। নামের রহস্য জানিয়ে তিনি বলেন, "জামাই যেমন পরিবারের কাছে আদরের, তেমনি এই গরু দুটিও আমাদের কাছে অনেক যত্ন আর ভালোবাসার। তাই আদরের জায়গা থেকেই এমন নাম দেওয়া।"
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত হাটে প্রচুর মানুষ ভিড় করলেও তাদের বেশিরভাগই দেখতে ও ছবি তুলতে আসছেন। তবে কোরবানি ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, শেষ মুহূর্তে ভালো কোনো ক্রেতা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর সবচেয়ে বড় গবাদি পশুর হাট গাবতলীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু, মহিষ, ভেড়া, দুম্বা ও খাসি নিয়ে আসছেন ব্যাপারীরা।
হাটে নানা আকারের পশু উঠলেও এখন পর্যন্ত ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে কসবা থেকে আনা দুটি বিশাল আকৃতির গরু। আদর করে এদের নাম রাখা হয়েছে ‘কালা জামাই’ ও ‘সাদা জামাই’।
গাবতলী হাটের ১ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়ে ভিন্ন এক দৃশ্য। প্রবেশপথের কাছেই রাখা এই বিশাল গরু দুটিকে দেখতে ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ। অনেকে আবার ছবি ও ভিডিও তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।
তীব্র গরমে গরু দুটিকে শান্ত রাখতে পরিচর্যাকারীদের ব্যস্ততার শেষ নেই। তাদের জন্য ওপরে ও নিচে বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পরপরই বোতল থেকে পানি দিয়ে গামছা ভিজিয়ে গরু দুটির গা মুছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, দীর্ঘ সময় ও পরম যত্নে গরু দুটিকে বড় করা হয়েছে। ‘কালা জামাই’কে প্রায় ৫ বছর এবং ‘সাদা জামাই’কে প্রায় ৩ বছর ধরে লালন-পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘কালা জামাই’র ওজন প্রায় ১,৫৫ো কেজি এবং ‘সাদা জামাই’র ওজন প্রায় ১,৩০০ কেজি। বিশাল আকৃতির কারণে এদের দামও হাঁকা হচ্ছে বেশ চড়া। ‘কালা জামাই’ এর জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং ‘সাদা জামাই’ এর জন্য ২৫ লাখ টাকা চাচ্ছেন বিক্রেতা।
গরু দুটির মালিক হাজি ইয়াকুব মিয়া হলেও হাটে বিক্রির দায়িত্বে রয়েছেন মো. মামুন। নামের রহস্য জানিয়ে তিনি বলেন, "জামাই যেমন পরিবারের কাছে আদরের, তেমনি এই গরু দুটিও আমাদের কাছে অনেক যত্ন আর ভালোবাসার। তাই আদরের জায়গা থেকেই এমন নাম দেওয়া।"
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত হাটে প্রচুর মানুষ ভিড় করলেও তাদের বেশিরভাগই দেখতে ও ছবি তুলতে আসছেন। তবে কোরবানি ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, শেষ মুহূর্তে ভালো কোনো ক্রেতা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী

আপনার মতামত লিখুন