একটি জাতি যখন তার আত্মপরিচয়ের সন্ধানে নতুন পথের খোঁজ করে, ঠিক তখনই ইতিহাসে কিছু ক্ষণের সৃষ্টি হয় যা যুগের পর যুগ অনুপ্রেরণা জোগায়।
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, আর বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে সুদূর আটলান্টিকের ওপারে—যেখানেই স্পন্দিত হচ্ছে বাংলাদেশি হৃদয়, সেখানেই আজ এক নতুন আশার আলো আলোড়িত হচ্ছে। শতাব্দীর অন্যতম সেরা এবং কাঙ্ক্ষিত এক ঘোষণা নিয়ে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও উন্মুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে "বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পরিষদ"।
এই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ ও বিদেশের আনাচে-কানাচে তৈরি হয়েছে এক অভূতপূর্ব উন্মাদনা।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর থেকেই এই প্ল্যাটফর্মে যোগদানের জন্য রীতিমতো হিড়িক পড়ে গেছে। দেশের মেধা জগতের শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অধ্যাপক, জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসক, আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর প্রকৌশলী, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা সফল ব্যবসায়ী, সত্যের সন্ধানে নির্ভীক সাংবাদিক এবং বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উড্ডীনকারী বিশিষ্ট প্রবাসীরা। মেধার এই অভূতপূর্ব সমাগম দেখে খোদ আয়োজকরাও আজ ভীষণভাবে অভিভূত এবং উদ্বেলিত।
মূল দর্শন: "ভাষায় বৈচিত্র্য, রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে ঐক্য"
এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করেই টেক্সাস থেকে ঢাকা, কিংবা লন্ডন থেকে চট্টগ্রাম—সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছে এই সংগঠন। আয়োজকরা জানান, মাতৃভূমির ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে ধারণ করেই একটি শক্তিশালী, স্বনির্ভর এবং মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করবে এই উন্মুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক ফোরাম।
দেশ ও প্রবাসের এই মিলনমেলাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে খুব শীঘ্রই ঢাকার একটি অভিজাত পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে এক জাঁকজমকপূর্ণ ও চোখধাঁধানো অনুষ্ঠান। সেদিন দেশ-বিদেশের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, থিঙ্ক-ট্যাংক এবং বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে পরিষদের নতুন কমিটি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উন্মোচন করা হবে, যা বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে এক নতুন সোনালী অধ্যায় রচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
"বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পরিষদ"-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান এক বার্তায় দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন:
"আপনাদের এই অভূতপূর্ব সাড়া আমাদের দায়িত্বকে আরও হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশ ও প্রবাসের প্রতিটি প্রান্ত থেকে যে ভালোবাসা আর আগ্রহ আমরা পাচ্ছি, তা প্রমাণ করে—আমরা সঠিক পথে আছি। মেধা আর দেশপ্রেমের এই মেলবন্ধনই আগামী দিনে আমাদের পথ দেখাবে।"
ঘরে বসে শুধু সমালোচনা না করে, দেশের জন্য এবং নিজের মেধাকে দেশের কল্যাণে উৎসর্গ করার এটাই উপযুক্ত সময়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রবাসী বা ব্যবসায়ী—যাঁদের ভেতরের বাংলাদেশি সত্তাটি দেশের জন্য কিছু করতে ব্যাকুল, তাঁদের এই গৌরবোজ্জ্বল যাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
একটি জাতি যখন তার আত্মপরিচয়ের সন্ধানে নতুন পথের খোঁজ করে, ঠিক তখনই ইতিহাসে কিছু ক্ষণের সৃষ্টি হয় যা যুগের পর যুগ অনুপ্রেরণা জোগায়।
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, আর বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে সুদূর আটলান্টিকের ওপারে—যেখানেই স্পন্দিত হচ্ছে বাংলাদেশি হৃদয়, সেখানেই আজ এক নতুন আশার আলো আলোড়িত হচ্ছে। শতাব্দীর অন্যতম সেরা এবং কাঙ্ক্ষিত এক ঘোষণা নিয়ে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও উন্মুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে "বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পরিষদ"।
এই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ ও বিদেশের আনাচে-কানাচে তৈরি হয়েছে এক অভূতপূর্ব উন্মাদনা।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর থেকেই এই প্ল্যাটফর্মে যোগদানের জন্য রীতিমতো হিড়িক পড়ে গেছে। দেশের মেধা জগতের শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অধ্যাপক, জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসক, আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার কারিগর প্রকৌশলী, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা সফল ব্যবসায়ী, সত্যের সন্ধানে নির্ভীক সাংবাদিক এবং বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উড্ডীনকারী বিশিষ্ট প্রবাসীরা। মেধার এই অভূতপূর্ব সমাগম দেখে খোদ আয়োজকরাও আজ ভীষণভাবে অভিভূত এবং উদ্বেলিত।
মূল দর্শন: "ভাষায় বৈচিত্র্য, রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে ঐক্য"
এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করেই টেক্সাস থেকে ঢাকা, কিংবা লন্ডন থেকে চট্টগ্রাম—সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছে এই সংগঠন। আয়োজকরা জানান, মাতৃভূমির ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে ধারণ করেই একটি শক্তিশালী, স্বনির্ভর এবং মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করবে এই উন্মুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক ফোরাম।
দেশ ও প্রবাসের এই মিলনমেলাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে খুব শীঘ্রই ঢাকার একটি অভিজাত পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে এক জাঁকজমকপূর্ণ ও চোখধাঁধানো অনুষ্ঠান। সেদিন দেশ-বিদেশের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, থিঙ্ক-ট্যাংক এবং বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে পরিষদের নতুন কমিটি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উন্মোচন করা হবে, যা বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে এক নতুন সোনালী অধ্যায় রচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
"বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পরিষদ"-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান এক বার্তায় দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন:
"আপনাদের এই অভূতপূর্ব সাড়া আমাদের দায়িত্বকে আরও হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশ ও প্রবাসের প্রতিটি প্রান্ত থেকে যে ভালোবাসা আর আগ্রহ আমরা পাচ্ছি, তা প্রমাণ করে—আমরা সঠিক পথে আছি। মেধা আর দেশপ্রেমের এই মেলবন্ধনই আগামী দিনে আমাদের পথ দেখাবে।"
ঘরে বসে শুধু সমালোচনা না করে, দেশের জন্য এবং নিজের মেধাকে দেশের কল্যাণে উৎসর্গ করার এটাই উপযুক্ত সময়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রবাসী বা ব্যবসায়ী—যাঁদের ভেতরের বাংলাদেশি সত্তাটি দেশের জন্য কিছু করতে ব্যাকুল, তাঁদের এই গৌরবোজ্জ্বল যাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

আপনার মতামত লিখুন