জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় কোরবানির মাংস খাওয়ার সময় গলায় মাংস আটকে ইয়াসিন হোসেন নামের ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে উপজেলার পোড়ারচর ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহত ইয়াসিন হোসেন ওই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় বটচর নিম্ন মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে কোরবানি দেওয়ার পর পরিবারের সবার সঙ্গে আনন্দের আমেজে দুপুরের খাবার খাচ্ছিল ইয়াসিন। এ সময় অসাবধানতাবশত হঠাৎ করেই তার গলায় গরুর মাংসের একটি টুকরো আটকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং সে তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করে।
অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সন্তানকে হারিয়ে স্তব্ধ বাবা রফিকুল ইসলাম বিলাপ করতে করতে বলেন,
"সকালে ছেলে আমার সাথে ঈদের নামাজ পড়ে বাড়ি আসে। তারপর কোরবানি দিয়ে মাংস কাটার সমস্ত কাজ শেষ করি। দুপুরে কুরবানির মাংস রান্না করার পর আমরা সবাই মিলে একসাথে খেতে বসেছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে আমার ছেলের গলায় মাংস আটকে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলাম, কিন্তু ডাক্তার বললো আমার ছেলে আর নেই। ঈদের দিনে আমি আমার কলিজার টুকরাকে হারালাম।"
এ বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের জানান, হাসপাতালে আনার আগেই কিশোরটির মৃত্যু হয়েছিল। প্রাথমিক ধারণানুযায়ী, গলায় শক্ত মাংসের টুকরো আটকে তীব্র শ্বাসরোধ (Suffocation) হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম গাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাংস খেতে গিয়ে গলায় আটকে এক কিশোরের মৃত্যুর বিষয়টি তারা অবহিত হয়েছেন। ঈদের দিনে এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় কোরবানির মাংস খাওয়ার সময় গলায় মাংস আটকে ইয়াসিন হোসেন নামের ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে উপজেলার পোড়ারচর ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহত ইয়াসিন হোসেন ওই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় বটচর নিম্ন মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে কোরবানি দেওয়ার পর পরিবারের সবার সঙ্গে আনন্দের আমেজে দুপুরের খাবার খাচ্ছিল ইয়াসিন। এ সময় অসাবধানতাবশত হঠাৎ করেই তার গলায় গরুর মাংসের একটি টুকরো আটকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং সে তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করে।
অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সন্তানকে হারিয়ে স্তব্ধ বাবা রফিকুল ইসলাম বিলাপ করতে করতে বলেন,
"সকালে ছেলে আমার সাথে ঈদের নামাজ পড়ে বাড়ি আসে। তারপর কোরবানি দিয়ে মাংস কাটার সমস্ত কাজ শেষ করি। দুপুরে কুরবানির মাংস রান্না করার পর আমরা সবাই মিলে একসাথে খেতে বসেছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে আমার ছেলের গলায় মাংস আটকে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলাম, কিন্তু ডাক্তার বললো আমার ছেলে আর নেই। ঈদের দিনে আমি আমার কলিজার টুকরাকে হারালাম।"
এ বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের জানান, হাসপাতালে আনার আগেই কিশোরটির মৃত্যু হয়েছিল। প্রাথমিক ধারণানুযায়ী, গলায় শক্ত মাংসের টুকরো আটকে তীব্র শ্বাসরোধ (Suffocation) হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম গাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাংস খেতে গিয়ে গলায় আটকে এক কিশোরের মৃত্যুর বিষয়টি তারা অবহিত হয়েছেন। ঈদের দিনে এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন