পিরোজপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে।
সোমবার (১ জুন) রাতে উপজেলার কুমারখালি গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অসুস্থ অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অসুস্থ শিশুরা হলো— কুমারখালি গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুলের ছেলে ইয়াসিন (১২) ও মেয়ে সামিয়া (৮)।
শিশু দুটির নানি তহমিনা বেগম জানান, তার জামাতা সিরাজুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। এই কারণে তার মেয়ের সঙ্গে জামাতার প্রায়ই পারিবারিক বিরোধ লেগে থাকত। কলহের একপর্যায়ে তার মেয়ে (শিশুদের মা) রাগ করে ঢাকায় চলে যান। এরপর থেকেই সিরাজুল বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে তহমিনা বেগম আরও জানান, সোমবার রাতে অভিযুক্ত সিরাজুল পরিবারের সদস্যদের জন্য ‘শরবত’ তৈরি করে নিয়ে আসেন। দুই শিশু সেই শরবত পান করলেও পরিবারের অন্য কেউ তা পান করেননি। শরবত পানের কিছুক্ষণ পরই ইয়াসিন ও সামিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন তাদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিব পাইক জানান, শিশুদের শারীরিক অবস্থা ও উপসর্গ দেখে বিষক্রিয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল আসার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
এদিকে এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
পিরোজপুর সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে।
সোমবার (১ জুন) রাতে উপজেলার কুমারখালি গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অসুস্থ অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অসুস্থ শিশুরা হলো— কুমারখালি গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুলের ছেলে ইয়াসিন (১২) ও মেয়ে সামিয়া (৮)।
শিশু দুটির নানি তহমিনা বেগম জানান, তার জামাতা সিরাজুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। এই কারণে তার মেয়ের সঙ্গে জামাতার প্রায়ই পারিবারিক বিরোধ লেগে থাকত। কলহের একপর্যায়ে তার মেয়ে (শিশুদের মা) রাগ করে ঢাকায় চলে যান। এরপর থেকেই সিরাজুল বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে তহমিনা বেগম আরও জানান, সোমবার রাতে অভিযুক্ত সিরাজুল পরিবারের সদস্যদের জন্য ‘শরবত’ তৈরি করে নিয়ে আসেন। দুই শিশু সেই শরবত পান করলেও পরিবারের অন্য কেউ তা পান করেননি। শরবত পানের কিছুক্ষণ পরই ইয়াসিন ও সামিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন তাদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিব পাইক জানান, শিশুদের শারীরিক অবস্থা ও উপসর্গ দেখে বিষক্রিয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল আসার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
এদিকে এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন