পঞ্চগড় সদর উপজেলায় দুই সন্তানের এক জননীকে (২৮) ঘরের ভেতর একা পেয়ে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আমিনার রহমান (৩৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বাধা দেওয়ায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে মারধর এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে পরিবারটিকে এলাকা ছাড়ার হুমকির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের রায়পাড়া গ্রামে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এ বিষয়ে গত ১ জুন (সোমবার) ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার প্রধান আসামি হলেন ধর্ষণের চেষ্টাকারী প্রতিবেশী আমিনার রহমান (৩৫), পিতা: আজিজার রহমান। অন্য আসামিরা হলেন— শরিফুল হোসেন (৪০), আখিমুল হক (২৫), আনিসুর রহমান (৩০), নাসরিন আকতার (৩৭) এবং আজিজার রহমান (৫৫)। অভিযুক্ত সকলেই সদর উপজেলার রায়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি আমিনার রহমান ভুক্তভোগীর স্বামীর বন্ধু হওয়ার সুবাদে প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি স্বামী ও অন্য প্রতিবেশীদের জানানোর পর আমিনার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
গত ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমিনার রহমান ঘরে প্রবেশ করেন। দুই সন্তানের জননীকে একা পেয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে জোরপূর্বক বিছানায় নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আমিনারকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে আমিনারের স্বজন ও সহযোগীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয় এবং ভুক্তভোগীর স্বামীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগী গৃহবধূর তলপেটে সজোরে লাথি মারলে তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। আসামিরা তাঁর শ্লীলতাহানি করে আমিনারকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে গণধর্ষণ ও পুরো পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। বর্তমানে আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অনবরত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি। তাদের ভয়ে এখন বাড়ি ফিরতে পারছেন না বলে জানান ভুক্তভোগী। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ কাউয়ুম জানান, গত ১ জুনেই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় দুই সন্তানের এক জননীকে (২৮) ঘরের ভেতর একা পেয়ে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আমিনার রহমান (৩৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বাধা দেওয়ায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে মারধর এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে পরিবারটিকে এলাকা ছাড়ার হুমকির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের রায়পাড়া গ্রামে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এ বিষয়ে গত ১ জুন (সোমবার) ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার প্রধান আসামি হলেন ধর্ষণের চেষ্টাকারী প্রতিবেশী আমিনার রহমান (৩৫), পিতা: আজিজার রহমান। অন্য আসামিরা হলেন— শরিফুল হোসেন (৪০), আখিমুল হক (২৫), আনিসুর রহমান (৩০), নাসরিন আকতার (৩৭) এবং আজিজার রহমান (৫৫)। অভিযুক্ত সকলেই সদর উপজেলার রায়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি আমিনার রহমান ভুক্তভোগীর স্বামীর বন্ধু হওয়ার সুবাদে প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি স্বামী ও অন্য প্রতিবেশীদের জানানোর পর আমিনার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
গত ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমিনার রহমান ঘরে প্রবেশ করেন। দুই সন্তানের জননীকে একা পেয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে জোরপূর্বক বিছানায় নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আমিনারকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে আমিনারের স্বজন ও সহযোগীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয় এবং ভুক্তভোগীর স্বামীকে মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগী গৃহবধূর তলপেটে সজোরে লাথি মারলে তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। আসামিরা তাঁর শ্লীলতাহানি করে আমিনারকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে গণধর্ষণ ও পুরো পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। বর্তমানে আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অনবরত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি। তাদের ভয়ে এখন বাড়ি ফিরতে পারছেন না বলে জানান ভুক্তভোগী। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মোহাম্মদ কাউয়ুম জানান, গত ১ জুনেই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন