দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের সময়োপযোগী ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কারণে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন একটি যাত্রীবাহী বাসের প্রায় ৪০ জন যাত্রী।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ নামের একটি বাস পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরবর্তীতে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ডুবে যাওয়া বাসটিকে নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘাট সূত্রে জানা গেছে, সকালে নন-এসি এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটি ফেরিতে ওঠার ঠিক পূর্বে ঈদ ডিউটিতে নিয়োজিত দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ত্রিনাথ সাহা এবং এসআই আবুজার গিফারীসহ দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার স্বার্থে বাসের সব যাত্রীকে নিচে নামিয়ে দেন।
এর কিছুক্ষণ পরই বাসটি ‘করবী’ ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির র্যাম্প ভেঙে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর বাসের ড্রাইভার, হেলপার ও সুপারভাইজারকে নৌ পুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান। নৌ পুলিশের এমন পেশাদারিত্ব ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে একটি নিশ্চিত বড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এ বিষয়ে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, "নৌ পুলিশ ফরিদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলামের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আমরা প্রতিনিয়ত লঞ্চ ও ফেরিঘাটকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ ফেরিঘাটে বাস থেকে যাত্রীদের নামানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
আজকেও এসবি পরিবহনের বাসটি ঘাটে আসার পর আমরা সব যাত্রীকে নামিয়ে দিই। এর কিছুক্ষণ পরেই বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় যাত্রীরা বেঁচে গেছেন, আমরা শুধু উসিলা মাত্র।"
নৌ পুলিশ ফরিদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, "প্রতিদিনের মতো আজকেও দৌলতদিয়া ঘাটে ঈদের ডিউটিতে ছিল নৌ পুলিশ। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসবি পরিবহনের বাসটি ঘাটে আসলে আমাদের সদস্যরা যাত্রীদের নামিয়ে দেন।
পরে বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় দুর্ঘটনায় পতিত হয়। যাত্রীদের আগেই নামিয়ে নেওয়ার ফলে আলহামদুলিল্লাহ এতগুলো মানুষ মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে পেরেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের সময়োপযোগী ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কারণে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন একটি যাত্রীবাহী বাসের প্রায় ৪০ জন যাত্রী।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ নামের একটি বাস পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরবর্তীতে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ডুবে যাওয়া বাসটিকে নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘাট সূত্রে জানা গেছে, সকালে নন-এসি এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটি ফেরিতে ওঠার ঠিক পূর্বে ঈদ ডিউটিতে নিয়োজিত দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ত্রিনাথ সাহা এবং এসআই আবুজার গিফারীসহ দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার স্বার্থে বাসের সব যাত্রীকে নিচে নামিয়ে দেন।
এর কিছুক্ষণ পরই বাসটি ‘করবী’ ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির র্যাম্প ভেঙে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর বাসের ড্রাইভার, হেলপার ও সুপারভাইজারকে নৌ পুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান। নৌ পুলিশের এমন পেশাদারিত্ব ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে একটি নিশ্চিত বড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এ বিষয়ে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, "নৌ পুলিশ ফরিদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলামের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আমরা প্রতিনিয়ত লঞ্চ ও ফেরিঘাটকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ ফেরিঘাটে বাস থেকে যাত্রীদের নামানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
আজকেও এসবি পরিবহনের বাসটি ঘাটে আসার পর আমরা সব যাত্রীকে নামিয়ে দিই। এর কিছুক্ষণ পরেই বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় যাত্রীরা বেঁচে গেছেন, আমরা শুধু উসিলা মাত্র।"
নৌ পুলিশ ফরিদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, "প্রতিদিনের মতো আজকেও দৌলতদিয়া ঘাটে ঈদের ডিউটিতে ছিল নৌ পুলিশ। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসবি পরিবহনের বাসটি ঘাটে আসলে আমাদের সদস্যরা যাত্রীদের নামিয়ে দেন।
পরে বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় দুর্ঘটনায় পতিত হয়। যাত্রীদের আগেই নামিয়ে নেওয়ার ফলে আলহামদুলিল্লাহ এতগুলো মানুষ মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে পেরেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"

আপনার মতামত লিখুন