দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মংলা ঘাশুড়িয়া সীমান্ত দিয়ে পাঁচ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে ২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বর্তমানে সীমান্ত সুরক্ষায় ওই এলাকায় বিজিবির কঠোর নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এই পুশইনের চেষ্টা চালায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট-২০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী জানান, শনিবার ভোররাতে মংলার ঘাশুড়িয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের চকগোপাল এলাকার ২৮৮ নম্বর মেইন পিলারের ৪০-এস থেকে ৪৮-এস সাব-পিলার এলাকা দিয়ে ৫ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
কমান্ডিং অফিসার (সিও) আরও জানান, ‘ঘটনার পরপরই আমি নিজে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে তাৎক্ষণিকভাবে অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবির জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই বিএসএফ কোনো ভারতীয় নাগরিককে বা অন্য কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে না পারে।’
বর্তমানে ঘাশুড়িয়া সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ওপারে কোনো সন্দেহভাজন লোকজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে ছোট করে দেখছে না বিজিবি। ওই এলাকায় টহল ও পোস্টের সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বাড়ানো হয়েছে।
ভারত থেকে অবৈধ পথে কোনো মানুষ যেন হিলি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে বিজিবির সার্বিক টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মংলা ঘাশুড়িয়া সীমান্ত দিয়ে পাঁচ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে ২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বর্তমানে সীমান্ত সুরক্ষায় ওই এলাকায় বিজিবির কঠোর নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এই পুশইনের চেষ্টা চালায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট-২০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী জানান, শনিবার ভোররাতে মংলার ঘাশুড়িয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের চকগোপাল এলাকার ২৮৮ নম্বর মেইন পিলারের ৪০-এস থেকে ৪৮-এস সাব-পিলার এলাকা দিয়ে ৫ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
কমান্ডিং অফিসার (সিও) আরও জানান, ‘ঘটনার পরপরই আমি নিজে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে তাৎক্ষণিকভাবে অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবির জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই বিএসএফ কোনো ভারতীয় নাগরিককে বা অন্য কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে না পারে।’
বর্তমানে ঘাশুড়িয়া সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ওপারে কোনো সন্দেহভাজন লোকজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে ছোট করে দেখছে না বিজিবি। ওই এলাকায় টহল ও পোস্টের সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বাড়ানো হয়েছে।
ভারত থেকে অবৈধ পথে কোনো মানুষ যেন হিলি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে বিজিবির সার্বিক টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন