ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-এর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশে আদালত উল্লেখ করেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করার বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালতের মতে, সোহেল রানা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘটনাটি আড়াল করা, পালাতে সহায়তা করা এবং মরদেহ গুমের চেষ্টায় প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন।
আদালত আরও বলেন, অপরাধে সহায়তা ও অংশীদারিত্বের কারণে উভয় আসামিই সমভাবে দায়ী এবং সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
রায়ের পর সন্তোষ প্রকাশ করেন নিহত শিশুর বাবা রামিসা আক্তারের বাবা। তবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকরের দাবি জানান।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং কড়া পাহারায় আসামিদের আদালতে আনা-নেওয়া করা হয়।
গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীতে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে শিশুটি ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দেয় এবং দ্রুত বিচার দাবিতে আন্দোলন হয়।
ঘটনার পরদিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর নিহত শিশুর বাবা মামলা দায়ের করেন। মাত্র ১৯ দিনের মাথায় এই মামলার রায় ঘোষণা হলো, যা দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি আলোচিত উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-এর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশে আদালত উল্লেখ করেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করার বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালতের মতে, সোহেল রানা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘটনাটি আড়াল করা, পালাতে সহায়তা করা এবং মরদেহ গুমের চেষ্টায় প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন।
আদালত আরও বলেন, অপরাধে সহায়তা ও অংশীদারিত্বের কারণে উভয় আসামিই সমভাবে দায়ী এবং সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
রায়ের পর সন্তোষ প্রকাশ করেন নিহত শিশুর বাবা রামিসা আক্তারের বাবা। তবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকরের দাবি জানান।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং কড়া পাহারায় আসামিদের আদালতে আনা-নেওয়া করা হয়।
গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীতে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে শিশুটি ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দেয় এবং দ্রুত বিচার দাবিতে আন্দোলন হয়।
ঘটনার পরদিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর নিহত শিশুর বাবা মামলা দায়ের করেন। মাত্র ১৯ দিনের মাথায় এই মামলার রায় ঘোষণা হলো, যা দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি আলোচিত উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন