টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরকীয়া প্রেমিকার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় শফি সিকদার নামে এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে ওই নারীর সঙ্গেই বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একই ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মঙ্গলবার (৯ জুন) তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা বিএনপি।
বহিষ্কৃত শফি সিকদার উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে এবং ওই ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনালিয়া গ্রামের এক প্রবাসীর তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তানের জনক শফি সিকদারের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শফি প্রায় রাতেই ওই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। সোমবার (৮ জুন) রাতে স্থানীয়রা গোপনে ওত পেতে থাকেন। রাত ১১টার দিকে শফি ওই নারীর ঘরে ঢুকলে রাত ১২টার দিকে স্থানীয় জনতা বাড়িটি ঘেরাও করে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে।
এই খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় জমায় এবং শফিকে গণধোলাই দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শফির প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মারধর করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে মির্জাপুরের বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান ও উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আল আজাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। পরে শফি ও ওই নারীর পারস্পরিক সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে সম্পন্ন করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে শফি সিকদারকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, জনতার হাতে আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। পরে স্থানীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে পারিবারিকভাবে মীমাংসার প্রক্রিয়া শুরু হলে পুলিশ চলে আসে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরকীয়া প্রেমিকার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় শফি সিকদার নামে এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে ওই নারীর সঙ্গেই বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একই ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মঙ্গলবার (৯ জুন) তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা বিএনপি।
বহিষ্কৃত শফি সিকদার উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে এবং ওই ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনালিয়া গ্রামের এক প্রবাসীর তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তানের জনক শফি সিকদারের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শফি প্রায় রাতেই ওই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। সোমবার (৮ জুন) রাতে স্থানীয়রা গোপনে ওত পেতে থাকেন। রাত ১১টার দিকে শফি ওই নারীর ঘরে ঢুকলে রাত ১২টার দিকে স্থানীয় জনতা বাড়িটি ঘেরাও করে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে।
এই খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় জমায় এবং শফিকে গণধোলাই দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শফির প্রথম স্ত্রী ও সন্তানরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মারধর করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে মির্জাপুরের বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান ও উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আল আজাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। পরে শফি ও ওই নারীর পারস্পরিক সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে সম্পন্ন করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে শফি সিকদারকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, জনতার হাতে আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। পরে স্থানীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে পারিবারিকভাবে মীমাংসার প্রক্রিয়া শুরু হলে পুলিশ চলে আসে।

আপনার মতামত লিখুন