নজর বিডি
প্রকাশ : বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে স্থিতিশীল ডলার, চাপে শেয়ারবাজার

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে স্থিতিশীল ডলার, চাপে শেয়ারবাজার

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সর্বশেষ সামরিক উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ব আর্থিক বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। বুধবার ডলার প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে প্রায় স্থিতিশীল অবস্থানে ছিল, তবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।


ডলারের শক্তিমত্তা পরিমাপক ডলার ইনডেক্স ০.০৬ শতাংশ কমে ৯৯.৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ইউরোর মান সামান্য বেড়ে ১.১৫৪৪ ডলারে এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ০.০৩ শতাংশ বেড়ে ১.৩৩৮ ডলারে লেনদেন হয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতের ধাক্কা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি অন্যান্য উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সুরক্ষিত। এ কারণে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের সময় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে ইউরো ও জাপানি ইয়েনের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।


জাপানি ইয়েন ডলারের বিপরীতে সামান্য শক্তিশালী হয়ে প্রতি ডলারে ১৬০.৩৪ ইয়েনে অবস্থান করছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ১৬০ ইয়েনের স্তরটি এমন একটি সীমা, যেখানে জাপান সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে ধারণা করা হয়।


এদিকে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারস ০.৫ শতাংশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক ফিউচারস ০.৮ শতাংশ কমেছে।


বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, মুদ্রাবাজার ও শেয়ারবাজারে নতুন অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

বিষয় : ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে স্থিতিশীল ডলার, চাপে শেয়ারবাজার ডলার শেয়ারবাজার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে স্থিতিশীল ডলার, চাপে শেয়ারবাজার

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সর্বশেষ সামরিক উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ব আর্থিক বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। বুধবার ডলার প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে প্রায় স্থিতিশীল অবস্থানে ছিল, তবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।


ডলারের শক্তিমত্তা পরিমাপক ডলার ইনডেক্স ০.০৬ শতাংশ কমে ৯৯.৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ইউরোর মান সামান্য বেড়ে ১.১৫৪৪ ডলারে এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ০.০৩ শতাংশ বেড়ে ১.৩৩৮ ডলারে লেনদেন হয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতের ধাক্কা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি অন্যান্য উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সুরক্ষিত। এ কারণে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের সময় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে ইউরো ও জাপানি ইয়েনের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।


জাপানি ইয়েন ডলারের বিপরীতে সামান্য শক্তিশালী হয়ে প্রতি ডলারে ১৬০.৩৪ ইয়েনে অবস্থান করছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ১৬০ ইয়েনের স্তরটি এমন একটি সীমা, যেখানে জাপান সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে ধারণা করা হয়।


এদিকে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারস ০.৫ শতাংশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক ফিউচারস ০.৮ শতাংশ কমেছে।


বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, মুদ্রাবাজার ও শেয়ারবাজারে নতুন অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত