বিচারকের কণ্ঠস্বর নকল ও পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. মেহেদী হাসান মিম (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত ১০ জুন ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাতে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর একটি চৌকস দল নাটোর জেলার রামাইগাছি এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান মিম নাটোরের মোহাম্মদ আব্দুল লতিফের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদী একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ। অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি বাদীর নাম, পরিচয় ও পদবী ব্যবহার করে তার বন্ধু, সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনদের ফোন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিল। প্রতারক চক্রটি কৃত্রিমভাবে (এআই বা অন্য প্রযুক্তির সাহায্যে) ওই বিচারকের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করে পরিচিতদের ফোন দেয়। ফোনে জানানো হয়— বিচারকের মা ঢাকায় একটি হাসপাতালে মারা গেছেন এবং হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের খরচের জন্য জরুরি টাকা প্রয়োজন।
এই আবেগঘন প্রতারণায় বিভ্রান্ত হয়ে বিচারকের এক পরিচিত ব্যক্তি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা প্রতারকদের পাঠিয়ে দেন। একইভাবে আরও বেশ কয়েকজন সহকর্মী ও বন্ধুর কাছেও টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে বাদী ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা (মামলা নং- ২১, ধারা- ৪০৬/৪১৯/৪২০) দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন ও অপারেশনস দল তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চক্রটিকে শনাক্ত করে। সিআইডি জানায়, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির পরিচয় ও কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণা করে আসছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি মেহেদী হাসান মিম ঘটনার সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে এবং চক্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলাটির তদন্তভার বর্তমানে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর হাতে রয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত আছে। একই সঙ্গে সিআইডির পক্ষ থেকে সর্বসাধারণকে এই ধরনের ভয়েস ক্লোনিং বা কণ্ঠস্বর নকলের প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং হুট করে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
বিচারকের কণ্ঠস্বর নকল ও পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. মেহেদী হাসান মিম (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত ১০ জুন ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাতে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর একটি চৌকস দল নাটোর জেলার রামাইগাছি এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান মিম নাটোরের মোহাম্মদ আব্দুল লতিফের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদী একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ। অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি বাদীর নাম, পরিচয় ও পদবী ব্যবহার করে তার বন্ধু, সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনদের ফোন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিল। প্রতারক চক্রটি কৃত্রিমভাবে (এআই বা অন্য প্রযুক্তির সাহায্যে) ওই বিচারকের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করে পরিচিতদের ফোন দেয়। ফোনে জানানো হয়— বিচারকের মা ঢাকায় একটি হাসপাতালে মারা গেছেন এবং হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের খরচের জন্য জরুরি টাকা প্রয়োজন।
এই আবেগঘন প্রতারণায় বিভ্রান্ত হয়ে বিচারকের এক পরিচিত ব্যক্তি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা প্রতারকদের পাঠিয়ে দেন। একইভাবে আরও বেশ কয়েকজন সহকর্মী ও বন্ধুর কাছেও টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে বাদী ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা (মামলা নং- ২১, ধারা- ৪০৬/৪১৯/৪২০) দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন ও অপারেশনস দল তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চক্রটিকে শনাক্ত করে। সিআইডি জানায়, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির পরিচয় ও কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণা করে আসছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি মেহেদী হাসান মিম ঘটনার সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে এবং চক্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলাটির তদন্তভার বর্তমানে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর হাতে রয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত আছে। একই সঙ্গে সিআইডির পক্ষ থেকে সর্বসাধারণকে এই ধরনের ভয়েস ক্লোনিং বা কণ্ঠস্বর নকলের প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং হুট করে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন