রাজবাড়ীর কালুখালীর বিলমানুষমারি গ্রাম থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের (২৫) হাত-পা বাঁধা ও দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে নির্মমভাবে হত্যার পর মরদেহটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া মাদরাসার পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে কালুখালী থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে আসাদুলের নিখোঁজের বিষয়টি তার পরিবার থানায় অবগত করেছিল।
নিহত আসাদুল ইসলাম কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে দাবি করেছে জেলা জামায়াত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরের দিকে আসাদুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হন। বিকেল পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় এবং তার কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় থানা পুলিশকে নিখোঁজের বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন পাটক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন:
"সকালে পুলিশ পাটক্ষেত থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাকে হত্যার পর মরদেহটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।"
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "আসাদুল কালুখালী জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গতকাল বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে তার এই নৃশংস ও দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এই ঘটনাটি নিয়ে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত।"

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
রাজবাড়ীর কালুখালীর বিলমানুষমারি গ্রাম থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের (২৫) হাত-পা বাঁধা ও দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে নির্মমভাবে হত্যার পর মরদেহটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া মাদরাসার পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে কালুখালী থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে আসাদুলের নিখোঁজের বিষয়টি তার পরিবার থানায় অবগত করেছিল।
নিহত আসাদুল ইসলাম কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে দাবি করেছে জেলা জামায়াত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরের দিকে আসাদুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হন। বিকেল পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় এবং তার কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় থানা পুলিশকে নিখোঁজের বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন পাটক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন:
"সকালে পুলিশ পাটক্ষেত থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাকে হত্যার পর মরদেহটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।"
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "আসাদুল কালুখালী জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গতকাল বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে তার এই নৃশংস ও দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এই ঘটনাটি নিয়ে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত।"

আপনার মতামত লিখুন