ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চিঠিতে তিনি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ এবং জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে উভয় দেশের এক ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে পাঠানো ওই চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “ঈদ মোবারক! পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।”
ভারতের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এই পবিত্র উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ভারতের লাখ লাখ মানুষও অত্যন্ত উৎসাহ ও আনন্দের সঙ্গে ঈদুল আজহা পালন করে থাকে। তিনি আরও বলেন, “এই উৎসব ত্যাগ, সহানুভূতি এবং ভ্রাতৃত্বের শাশ্বত আদর্শকে সমুন্নত রাখে, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য।”
চিঠিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার গভীর বন্ধনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মোদি বলেন, পারস্পরিক ত্যাগ, সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য, শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আগামী দিনে দুই দেশের জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ভারতের সরকার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী বলেও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চিঠিতে তিনি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ এবং জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে উভয় দেশের এক ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে পাঠানো ওই চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “ঈদ মোবারক! পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।”
ভারতের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এই পবিত্র উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ভারতের লাখ লাখ মানুষও অত্যন্ত উৎসাহ ও আনন্দের সঙ্গে ঈদুল আজহা পালন করে থাকে। তিনি আরও বলেন, “এই উৎসব ত্যাগ, সহানুভূতি এবং ভ্রাতৃত্বের শাশ্বত আদর্শকে সমুন্নত রাখে, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য।”
চিঠিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার গভীর বন্ধনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মোদি বলেন, পারস্পরিক ত্যাগ, সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য, শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আগামী দিনে দুই দেশের জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ভারতের সরকার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী বলেও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন