পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। ঈদের প্রথম দিনে কসাই না পাওয়া, উপযুক্ত স্থানের সংকট কিংবা ব্যক্তিগত নানা কারণে যারা কোরবানি দিতে পারেননি, তারা আজ শুক্রবার সকাল থেকেই পশু কোরবানি করছেন।
সকাল থেকে রাজধানীর উত্তরা, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা, মিরপুর, মান্ডা, বাড্ডা ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের চিরচেনা দৃশ্য দেখা গেছে। প্রথম দিনের তুলনায় আজ তুলনামূলক স্বস্তিতে ও কম ভিড়ে নগরবাসীকে কোরবানি সম্পন্ন করতে দেখা যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের প্রথম দিনে কসাইদের অতিরিক্ত চাহিদা ও চাপ থাকায় অনেকেই সময়মতো কসাই পাননি। আবার কোথাও নির্ধারিত স্থানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা কিংবা অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেকেই ইচ্ছা করেই কোরবানি এক দিন পিছিয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয় দিনে সেই চাপ ও তাড়াহুড়ো কিছুটা কমে আসায় আজ বেশ সহজেই কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন তারা। অনেক এলাকায় পরিবার-পরিজন মিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাংস ভাগ-বাটোয়ারার কাজে অংশ নিচ্ছেন।
বরাবরের মতো এবারও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাইরে থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকায় এসেছেন মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করতে। কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় অবস্থান করে তারা পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকাভেদে এবং পশুর আকার অনুযায়ী এবার কসাইদের মজুরিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে মাঝারি ও বড় গরু প্রস্তুত করতে কসাইরা মজুরি নিচ্ছেন প্রায় ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। ছাগল প্রস্তুত করতে মজুরি নেওয়া হচ্ছে ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও যাতে নগরী পরিচ্ছন্ন থাকে, সেজন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তৎপর থাকতে দেখা গেছে। জবাইয়ের পরপরই বর্জ্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করছেন তারা।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী ঈদুল আজহার প্রথম দিন ছাড়াও দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন পর্যন্ত পশু কোরবানি করার সুযোগ রয়েছে। এই ধর্মীয় বিধানের কারণে প্রতি বছরই ঈদের পরের দুই দিন রাজধানীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কোরবানি হতে দেখা যায়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির ব্যস্ততা দেখা গেছে। ঈদের প্রথম দিনে কসাই না পাওয়া, উপযুক্ত স্থানের সংকট কিংবা ব্যক্তিগত নানা কারণে যারা কোরবানি দিতে পারেননি, তারা আজ শুক্রবার সকাল থেকেই পশু কোরবানি করছেন।
সকাল থেকে রাজধানীর উত্তরা, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা, মিরপুর, মান্ডা, বাড্ডা ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের চিরচেনা দৃশ্য দেখা গেছে। প্রথম দিনের তুলনায় আজ তুলনামূলক স্বস্তিতে ও কম ভিড়ে নগরবাসীকে কোরবানি সম্পন্ন করতে দেখা যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের প্রথম দিনে কসাইদের অতিরিক্ত চাহিদা ও চাপ থাকায় অনেকেই সময়মতো কসাই পাননি। আবার কোথাও নির্ধারিত স্থানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা কিংবা অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে অনেকেই ইচ্ছা করেই কোরবানি এক দিন পিছিয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয় দিনে সেই চাপ ও তাড়াহুড়ো কিছুটা কমে আসায় আজ বেশ সহজেই কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন তারা। অনেক এলাকায় পরিবার-পরিজন মিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাংস ভাগ-বাটোয়ারার কাজে অংশ নিচ্ছেন।
বরাবরের মতো এবারও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাইরে থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকায় এসেছেন মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করতে। কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় অবস্থান করে তারা পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকাভেদে এবং পশুর আকার অনুযায়ী এবার কসাইদের মজুরিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে মাঝারি ও বড় গরু প্রস্তুত করতে কসাইরা মজুরি নিচ্ছেন প্রায় ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। ছাগল প্রস্তুত করতে মজুরি নেওয়া হচ্ছে ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও যাতে নগরী পরিচ্ছন্ন থাকে, সেজন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তৎপর থাকতে দেখা গেছে। জবাইয়ের পরপরই বর্জ্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করছেন তারা।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী ঈদুল আজহার প্রথম দিন ছাড়াও দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন পর্যন্ত পশু কোরবানি করার সুযোগ রয়েছে। এই ধর্মীয় বিধানের কারণে প্রতি বছরই ঈদের পরের দুই দিন রাজধানীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কোরবানি হতে দেখা যায়।

আপনার মতামত লিখুন