রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
একই সঙ্গে ৩০ মে (শনিবার) ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি ও ঘটনার পেছনের কারণ হিসেবে বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়।
গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সরকারের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।
গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন দাপ্তরিক কর্তৃপক্ষের আসা-যাওয়া এবং বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতির কারণে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সেবাকর্মীরা তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এতে চিকিৎসাধীন রোগী ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষও বেশ কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শনিবারের ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলা হয়, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে চলে যাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তখন চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থ ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।
"হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করেন। এতে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগের অনুরোধ জানান। পরে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মীদের শান্ত করার উদ্যোগ নেন।"
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানায় যে, প্রতিষ্ঠানটি সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে-র অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
কর্মীদের এই অনিচ্ছাকৃত আচরণে কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে, তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সাংবাদিক সমাজের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
একই সঙ্গে ৩০ মে (শনিবার) ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি ও ঘটনার পেছনের কারণ হিসেবে বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়।
গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সরকারের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।
গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন দাপ্তরিক কর্তৃপক্ষের আসা-যাওয়া এবং বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতির কারণে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সেবাকর্মীরা তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এতে চিকিৎসাধীন রোগী ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষও বেশ কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শনিবারের ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলা হয়, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে চলে যাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তখন চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থ ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।
"হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করেন। এতে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগের অনুরোধ জানান। পরে হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মীদের শান্ত করার উদ্যোগ নেন।"
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানায় যে, প্রতিষ্ঠানটি সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে-র অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
কর্মীদের এই অনিচ্ছাকৃত আচরণে কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে, তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সাংবাদিক সমাজের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন