স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ সোমবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত ও প্যারালাইজডসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে জানান, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ বিকেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, তোফায়েল আহমেদের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নিম্নরূপভাবে সম্পন্ন হবে আজ সোমবার বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে আজ রাতের জন্য মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।
আগামীকাল মঙ্গলবার হেলিকপ্টার বা বিশেষ ফ্রিজিং ভ্যানে করে তাঁর মরদেহ নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জোহরের নামাজের পর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রয়াণে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ সোমবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত ও প্যারালাইজডসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে জানান, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ বিকেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, তোফায়েল আহমেদের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা নিম্নরূপভাবে সম্পন্ন হবে আজ সোমবার বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে আজ রাতের জন্য মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।
আগামীকাল মঙ্গলবার হেলিকপ্টার বা বিশেষ ফ্রিজিং ভ্যানে করে তাঁর মরদেহ নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জোহরের নামাজের পর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রয়াণে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন