কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোরপাই গ্রামের বাসিন্দা মিলন আক্তার (৫৬) হত্যাকাণ্ডের আট মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ লোপাট এবং ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্বজনরা এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহতের মেজো মেয়ে ও মামলার বাদী তানজিনা আক্তার, তার স্বামী ডা. সাইফুল ইসলাম, বড় মেয়ে ইসরাত জাহান তানিয়া, তার স্বামী এনামুল হাসান তারেক এবং নিহতের মা নূরজাহান বেগম।
তারা জানান, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে কুমিল্লা মহানগরীর রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে মিলন আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ১৮ অক্টোবর নিহতের মেজো মেয়ে তানজিনা আক্তার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) শরীফ ইবনে আলম এবং উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন দীর্ঘ আট মাসেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। বরং হত্যাকাণ্ডের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করেন নিহতের স্বজনরা।
তাদের অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতির আশ্বাস দিয়ে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা এবং পরে তদন্ত কর্মকর্তার বিকাশ নম্বরে আরও ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের অভাবে প্রকৃত অপরাধীরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছে। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা শরীফ ইবনে আলম বলেন, “হত্যা মামলাটি নিয়ে আমরা একাধিকবার তদন্ত করেছি এবং একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তবে তার কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি।”
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাদীপক্ষের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। তারা স্বেচ্ছায় টাকা দিয়েছে।” এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে সাইফুল মালেক বলেন, “ঘুষ গ্রহণ ও তথ্য লোপাটের অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোরপাই গ্রামের বাসিন্দা মিলন আক্তার (৫৬) হত্যাকাণ্ডের আট মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ লোপাট এবং ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্বজনরা এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহতের মেজো মেয়ে ও মামলার বাদী তানজিনা আক্তার, তার স্বামী ডা. সাইফুল ইসলাম, বড় মেয়ে ইসরাত জাহান তানিয়া, তার স্বামী এনামুল হাসান তারেক এবং নিহতের মা নূরজাহান বেগম।
তারা জানান, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে কুমিল্লা মহানগরীর রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে মিলন আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ১৮ অক্টোবর নিহতের মেজো মেয়ে তানজিনা আক্তার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) শরীফ ইবনে আলম এবং উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন দীর্ঘ আট মাসেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। বরং হত্যাকাণ্ডের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করেন নিহতের স্বজনরা।
তাদের অভিযোগ, তদন্তের অগ্রগতির আশ্বাস দিয়ে প্রথমে ২৫ হাজার টাকা এবং পরে তদন্ত কর্মকর্তার বিকাশ নম্বরে আরও ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের অভাবে প্রকৃত অপরাধীরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছে। তারা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা শরীফ ইবনে আলম বলেন, “হত্যা মামলাটি নিয়ে আমরা একাধিকবার তদন্ত করেছি এবং একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তবে তার কাছ থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি।”
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাদীপক্ষের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। তারা স্বেচ্ছায় টাকা দিয়েছে।” এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে সাইফুল মালেক বলেন, “ঘুষ গ্রহণ ও তথ্য লোপাটের অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন