হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় জীবন দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কিশোরী আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বানিয়াচং উপজেলার মশাকলি গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতেন এবং সেখান থেকেই চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।
পরিবারের দাবি, গত ৩১ মে (রোববার) বানিয়াচং উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের সোনারু গ্রামের জীবন দাস নামে এক যুবকের সঙ্গে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে হবিগঞ্জ শহরের উদ্দেশ্যে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরে হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১ জুন) তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যে চলন্ত যানবাহন থেকে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক কিশোরীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের নানার বাড়ি মশাকলি গ্রামে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত জীবন দাসকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় জীবন দাস নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কিশোরী আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বানিয়াচং উপজেলার মশাকলি গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতেন এবং সেখান থেকেই চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।
পরিবারের দাবি, গত ৩১ মে (রোববার) বানিয়াচং উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের সোনারু গ্রামের জীবন দাস নামে এক যুবকের সঙ্গে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে হবিগঞ্জ শহরের উদ্দেশ্যে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পরে হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১ জুন) তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যে চলন্ত যানবাহন থেকে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক কিশোরীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের নানার বাড়ি মশাকলি গ্রামে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত জীবন দাসকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন