হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর গেট সংলগ্ন কুরিয়ার অপারেশনের একটি কনটেইনারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনার কারণে বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি এবং বর্তমানে ফ্লাইট অপারেশন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে গণমাধ্যমকে দেওয়া তথ্যে নির্বাহী পরিচালক জানান, রাত আনুমানিক ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে কুরিয়ার অপারেশনের ওই কনটেইনারের ভেতরে ও পাশে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই শাহজালাল বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট, ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এবং পার্শ্ববর্তী বিমান বাহিনীর এ কে খন্দকার ঘাঁটি থেকে উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার শফিক জানান, রাত ১১টা ২৪ মিনিটে তারা অগ্নিকাণ্ডের খবর পান। এরপর ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট তাৎক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে মাত্র ১৪ মিনিটের মাথায় অর্থাৎ ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অন্য কোনো উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির আগেই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ আশ্বস্ত করে বলেন:
"অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমাদের বিমানবন্দরের ফ্লাইং অপারেশনে কোনো সমস্যা হয়নি। ফ্লাইট অপারেশন স্বাভাবিক নিয়মেই চলমান রয়েছে।"
বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের এই অংশে মূলত আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য মজুদ রাখা হয়। এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটের দীর্ঘ ৭ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল।
এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)-এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সেই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকার বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তবে সৌভাগ্যবশত এবারের অগ্নিকাণ্ডটি দ্রুততম সময়ে নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর গেট সংলগ্ন কুরিয়ার অপারেশনের একটি কনটেইনারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনার কারণে বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি এবং বর্তমানে ফ্লাইট অপারেশন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে গণমাধ্যমকে দেওয়া তথ্যে নির্বাহী পরিচালক জানান, রাত আনুমানিক ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে কুরিয়ার অপারেশনের ওই কনটেইনারের ভেতরে ও পাশে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই শাহজালাল বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট, ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এবং পার্শ্ববর্তী বিমান বাহিনীর এ কে খন্দকার ঘাঁটি থেকে উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার শফিক জানান, রাত ১১টা ২৪ মিনিটে তারা অগ্নিকাণ্ডের খবর পান। এরপর ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট তাৎক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে মাত্র ১৪ মিনিটের মাথায় অর্থাৎ ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অন্য কোনো উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির আগেই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ আশ্বস্ত করে বলেন:
"অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমাদের বিমানবন্দরের ফ্লাইং অপারেশনে কোনো সমস্যা হয়নি। ফ্লাইট অপারেশন স্বাভাবিক নিয়মেই চলমান রয়েছে।"
বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের এই অংশে মূলত আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য মজুদ রাখা হয়। এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটের দীর্ঘ ৭ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল।
এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)-এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সেই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকার বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তবে সৌভাগ্যবশত এবারের অগ্নিকাণ্ডটি দ্রুততম সময়ে নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

আপনার মতামত লিখুন