নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

পরকীয়া ও ডিভোর্স জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থানের দাবি

পরকীয়া ও ডিভোর্স জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থানের দাবি

সমাজে বৈবাহিক পবিত্রতা রক্ষা, ডিভোর্সে জালিয়াতি বন্ধ এবং পরকীয়া ও ব্যভিচার রোধে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে 'এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন'।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাদিম, প্রচার সম্পাদক খালেদ তন্ময়, ঢাকা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ইফতেখার হোসেইন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা দেশের প্রচলিত আইনের বৈষম্যমূলক দিকগুলো তুলে ধরেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাদিম বলেন,

"আমাদের দেশের প্রচলিত ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিবাহিত নারী ব্যভিচার বা পরকীয়া করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা যায় না, অথচ পুরুষকে ঠিকই শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। এটি পুরুষদের প্রতি স্পষ্ট আইনি বৈষম্য।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অপরাধী নারী হলে নারী বিবেচনায় জামিন দেওয়া, হাতকড়া না পরানো কিংবা কঠিন অপরাধেও লঘু শাস্তি দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা যায়। আইনের এই শিথিলতা ও বৈষম্যের সুযোগ নিয়েই কিছু স্বেচ্ছাচারী নারী চরম অপরাধে জড়ানোর সাহস পাচ্ছে। রাষ্ট্র এবং আদালতের কাছে তাদের স্পষ্ট দাবি—আইন সবার জন্য সমান হতে হবে এবং অপরাধী নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন, অপরাধের বিচার সমান হতে হবে।

ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার চলমান মামলার প্রসঙ্গ টেনে সাইফুল ইসলাম নাদিম বলেন, নাসির ও তামিমা দুজনেই ব্যভিচার এবং ডিভোর্স জালিয়াতির মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত। নাসির এবং তামিমাকে কঠিনতম শাস্তি দিয়ে রাষ্ট্রের একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করা উচিত।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত বলেন, নাসির ও তামিমার আইনজীবী ইতোমধ্যেই দাবি করছেন যে আসামিরা খালাস পাবেন। এ ধরনের সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত অপরাধ করেও আসামিদের খালাস পেয়ে যাবার আশঙ্কা সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও রয়েছে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রায়ের আগেই এমন মন্তব্য প্রমাণ করে যে, সমাজে নারীদের অপরাধে লঘু শাস্তি দেওয়া বা মুক্তি দেওয়ার যে প্রবণতা রয়েছে, এক্ষেত্রেও আসামি পক্ষ তার সুবিধা নেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে বসে আছে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ বাংলা ট্যাগ: এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন, মানববন্ধন, ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা, পরকীয়া, ডিভোর্স জালিয়াতি, দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারা, পুরুষ অধিকার, আইনি বৈষম্য Aid for Men Foundation, Cricketer Nasir Hossain, Tamima Sultana, Adultery Law Bangladesh, Section 497, Divorce Fraud, Men Rights Bangladesh, Legal Discrimination

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


পরকীয়া ও ডিভোর্স জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থানের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

সমাজে বৈবাহিক পবিত্রতা রক্ষা, ডিভোর্সে জালিয়াতি বন্ধ এবং পরকীয়া ও ব্যভিচার রোধে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে 'এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন'।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাদিম, প্রচার সম্পাদক খালেদ তন্ময়, ঢাকা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ইফতেখার হোসেইন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা দেশের প্রচলিত আইনের বৈষম্যমূলক দিকগুলো তুলে ধরেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাদিম বলেন,

"আমাদের দেশের প্রচলিত ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিবাহিত নারী ব্যভিচার বা পরকীয়া করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা যায় না, অথচ পুরুষকে ঠিকই শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। এটি পুরুষদের প্রতি স্পষ্ট আইনি বৈষম্য।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অপরাধী নারী হলে নারী বিবেচনায় জামিন দেওয়া, হাতকড়া না পরানো কিংবা কঠিন অপরাধেও লঘু শাস্তি দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা যায়। আইনের এই শিথিলতা ও বৈষম্যের সুযোগ নিয়েই কিছু স্বেচ্ছাচারী নারী চরম অপরাধে জড়ানোর সাহস পাচ্ছে। রাষ্ট্র এবং আদালতের কাছে তাদের স্পষ্ট দাবি—আইন সবার জন্য সমান হতে হবে এবং অপরাধী নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন, অপরাধের বিচার সমান হতে হবে।

ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার চলমান মামলার প্রসঙ্গ টেনে সাইফুল ইসলাম নাদিম বলেন, নাসির ও তামিমা দুজনেই ব্যভিচার এবং ডিভোর্স জালিয়াতির মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত। নাসির এবং তামিমাকে কঠিনতম শাস্তি দিয়ে রাষ্ট্রের একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করা উচিত।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত বলেন, নাসির ও তামিমার আইনজীবী ইতোমধ্যেই দাবি করছেন যে আসামিরা খালাস পাবেন। এ ধরনের সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত অপরাধ করেও আসামিদের খালাস পেয়ে যাবার আশঙ্কা সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও রয়েছে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রায়ের আগেই এমন মন্তব্য প্রমাণ করে যে, সমাজে নারীদের অপরাধে লঘু শাস্তি দেওয়া বা মুক্তি দেওয়ার যে প্রবণতা রয়েছে, এক্ষেত্রেও আসামি পক্ষ তার সুবিধা নেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে বসে আছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত