জলবায়ু সংকট এখন আর শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি দেশের শ্রম খাত, জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য এক বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ। সোমবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
'জলবায়ু সংকট ও কাজের ভবিষ্যৎ: টেকসই ও ন্যায্য বাংলাদেশের পথে যাত্রা' শীর্ষক এই বৈঠকের যৌথ আয়োজন করে ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ (এনএজেটিবি) এবং এসএমইপি।
বৈঠকে উপস্থাপিত তথ্যে জানানো হয়, দেশে ক্রমবর্ধমান তাপপ্রবাহের কারণে প্রতিবছর প্রায় ২৫ কোটি কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১৭৮ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশের মোট জিডিপির (GDP) প্রায় ০.৪ শতাংশ। তীব্র দাবদাহের কারণে শ্রমজীবী মানুষেরা পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোক ও কিডনি জটিলতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের রাইসুল ইসলাম খান এবং এনএজেটিবির নির্বাহী সমন্বয়ক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ ও শ্রমিক নেতারা বলেন, শিল্পনীতিতে উৎপাদনের পাশাপাশি শ্রমিকদের জলবায়ু অভিযোজন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বক্তারা কর্মক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক 'তাপ সুরক্ষা আইন' প্রণয়ন, নগর সবুজায়ন, জলাধার পুনরুদ্ধার এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জোর দাবি জানান।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ জলবায়ু পরিবর্তন, তাপপ্রবাহ, অর্থনৈতিক ক্ষতি, বিশ্ব পরিবেশ দিবস, গোলটেবিল বৈঠক, শ্রমিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি, জাতীয় প্রেস ক্লাব, টেকসই উন্নয়ন Climate Crisis, Heatwave Bangladesh, Economic Loss, World Environment Day, Roundtable Discussion, Workers Health Risk, Sustainable Development, National Press Club

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
জলবায়ু সংকট এখন আর শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি দেশের শ্রম খাত, জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য এক বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ। সোমবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
'জলবায়ু সংকট ও কাজের ভবিষ্যৎ: টেকসই ও ন্যায্য বাংলাদেশের পথে যাত্রা' শীর্ষক এই বৈঠকের যৌথ আয়োজন করে ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর জাস্ট ট্রানজিশন বাংলাদেশ (এনএজেটিবি) এবং এসএমইপি।
বৈঠকে উপস্থাপিত তথ্যে জানানো হয়, দেশে ক্রমবর্ধমান তাপপ্রবাহের কারণে প্রতিবছর প্রায় ২৫ কোটি কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১৭৮ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশের মোট জিডিপির (GDP) প্রায় ০.৪ শতাংশ। তীব্র দাবদাহের কারণে শ্রমজীবী মানুষেরা পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোক ও কিডনি জটিলতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের রাইসুল ইসলাম খান এবং এনএজেটিবির নির্বাহী সমন্বয়ক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ ও শ্রমিক নেতারা বলেন, শিল্পনীতিতে উৎপাদনের পাশাপাশি শ্রমিকদের জলবায়ু অভিযোজন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বক্তারা কর্মক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক 'তাপ সুরক্ষা আইন' প্রণয়ন, নগর সবুজায়ন, জলাধার পুনরুদ্ধার এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন