শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে একটি অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের যে আদর্শ জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আজও বাংলাদেশের মানুষের কাছে অনুসরণীয়।
রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মহাপ্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করা হয় এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত ও আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন:
"শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব সিদ্ধান্তহীনতায় ছিল। দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য।"
মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই মিলে একসাথে যুদ্ধ করেছি। '৭১ আমাদের অস্তিত্ব, '৭১ আমরা অস্বীকার করতে পারি না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততার এক নজিরবিহীন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। তাঁর দেখানো পথ ধরেই বর্তমান সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চায়।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে একটি অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের যে আদর্শ জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আজও বাংলাদেশের মানুষের কাছে অনুসরণীয়।
রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মহাপ্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করা হয় এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত ও আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন:
"শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব সিদ্ধান্তহীনতায় ছিল। দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য।"
মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই মিলে একসাথে যুদ্ধ করেছি। '৭১ আমাদের অস্তিত্ব, '৭১ আমরা অস্বীকার করতে পারি না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততার এক নজিরবিহীন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। তাঁর দেখানো পথ ধরেই বর্তমান সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চায়।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

আপনার মতামত লিখুন