রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে প্রায় ৫৯৭ গ্রাম ওজনের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণালংকারসহ ৬ জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। উদ্ধার করা এই স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৪০ টাকা।
গতকাল বুধবার (১০ জুন) ভোরে বিমানবন্দরের সামনের সরকারি খোলা পার্কিং এলাকার দক্ষিণ পাশ থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. মনির হোসেন (৩২), কাজী মাসুদ (২৩), সাইদুল ইসলাম (২৬), ইলিয়াছ খাঁন (৩৩), সাব্বির মিয়া (২২) এবং মো. কামাল হোসেন (৪৪)।
এয়ারপোর্ট এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর আনুমানিক ৪টা ২৫ মিনিটে ওই ছয় ব্যক্তি বিমানবন্দর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা একটি মাইক্রোবাসে করে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে এপিবিএনের সদস্যরা ধাওয়া করে তাঁদের আটক করতে সক্ষম হন।
আটকের পর তাঁদের এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে তল্লাশি চালানো হলে মোট ৫৯৭.৩ গ্রাম ওজনের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক একটি স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
যাত্রীদের সহযোগিতায় সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি করায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন:
"বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সব সময় সক্রিয় রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে।"

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে প্রায় ৫৯৭ গ্রাম ওজনের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণালংকারসহ ৬ জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। উদ্ধার করা এই স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৪০ টাকা।
গতকাল বুধবার (১০ জুন) ভোরে বিমানবন্দরের সামনের সরকারি খোলা পার্কিং এলাকার দক্ষিণ পাশ থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. মনির হোসেন (৩২), কাজী মাসুদ (২৩), সাইদুল ইসলাম (২৬), ইলিয়াছ খাঁন (৩৩), সাব্বির মিয়া (২২) এবং মো. কামাল হোসেন (৪৪)।
এয়ারপোর্ট এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর আনুমানিক ৪টা ২৫ মিনিটে ওই ছয় ব্যক্তি বিমানবন্দর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁরা একটি মাইক্রোবাসে করে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে এপিবিএনের সদস্যরা ধাওয়া করে তাঁদের আটক করতে সক্ষম হন।
আটকের পর তাঁদের এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে তল্লাশি চালানো হলে মোট ৫৯৭.৩ গ্রাম ওজনের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক একটি স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
যাত্রীদের সহযোগিতায় সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি করায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন:
"বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সব সময় সক্রিয় রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও জোরদার থাকবে।"

আপনার মতামত লিখুন