ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রুবেল হক বলেছেন, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম ছাড়া কোনো চালকের গাড়ি চালানো উচিত নয়। ক্লান্ত ও ঘুমঘুম অবস্থায় স্টিয়ারিং ধরলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
ফলে পর্যাপ্ত না ঘুমিয়ে গাড়ি চালালে আইনানুগ উপায়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ট্রাফিক বিভাগের পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্পে তিনি এ কথা বলেন।
এডিসি রুবেল হক বলেন, একজন চালকের দায়িত্ব শুধু গাড়ি চালানো নয়, বরং যাত্রী ও পথচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তার নৈতিক দায়িত্ব। তাই দীর্ঘ সময় টানা ড্রাইভিং ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
তিনি সড়কে দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো উল্লেখ করে বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক আইন মানার কোনো বিকল্প নেই। এর মধ্যে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলো: অতিরিক্ত গতি (Over speeding), বেপরোয়া ওভারটেকিং, গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা, ক্লান্ত বা ঘুমঘুম অবস্থায় গাড়ি চালানো
অনুষ্ঠানে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সাথে চালকদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রুবেল হক বলেছেন, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম ছাড়া কোনো চালকের গাড়ি চালানো উচিত নয়। ক্লান্ত ও ঘুমঘুম অবস্থায় স্টিয়ারিং ধরলে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
ফলে পর্যাপ্ত না ঘুমিয়ে গাড়ি চালালে আইনানুগ উপায়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ট্রাফিক বিভাগের পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্পে তিনি এ কথা বলেন।
এডিসি রুবেল হক বলেন, একজন চালকের দায়িত্ব শুধু গাড়ি চালানো নয়, বরং যাত্রী ও পথচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তার নৈতিক দায়িত্ব। তাই দীর্ঘ সময় টানা ড্রাইভিং ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
তিনি সড়কে দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো উল্লেখ করে বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক আইন মানার কোনো বিকল্প নেই। এর মধ্যে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলো: অতিরিক্ত গতি (Over speeding), বেপরোয়া ওভারটেকিং, গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা, ক্লান্ত বা ঘুমঘুম অবস্থায় গাড়ি চালানো
অনুষ্ঠানে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সাথে চালকদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন