দিনব্যাপী ঠাসা কর্মসূচি শেষে কক্সবাজার সফর সম্পন্ন করে রাজধানীতে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানটি রাত ১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে।
এর আগে শনিবার রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাথে নিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়কে যান এবং সেখানে সমুদ্র সৈকতের নৈসর্গিক সৌন্দর্য অবলোকন করেন। তার আগে তিনি চকরিয়ায় উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় যোগ দেন। জনসভা শেষে কক্সবাজার শহরে ফিরে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে কক্সবাজারের বিশিষ্টজনদের সাথে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
শনিবার সকালে আকাশপথে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানান।
সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় যান। সেখানে তার পিতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত 'পাতলী খাল' পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি।
এরপর তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন। সেখান থেকে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গিয়ে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী '২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন এবং নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করেন।
মালুমঘাট থেকে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় যান। সেখানে জুলাই আন্দোলনের চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম-এর কবর জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে তিনি শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সান্ত্বনা দেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন।
পেকুয়া সফরে তিনি নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। একই সফরে তিনি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবি 'মাতামুহুরি উপজেলা ও থানা' প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক ও নিটোল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পন্ন হয়।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কক্সবাজার সফর, জিয়াউর রহমান, পাতলী খাল, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, পেকুয়া পৌরসভা, মাতামুহুরি উপজেলা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বাংলাদেশ রাজনীতি Prime Minister Tariq Rahman, Cox's Bazar Visit, Ziaur Rahman, Patli Khal, Martyr Wasim Akram, Pekua Municipality, Matamuhuri Upazila, Tree Plantation, Bangladesh Politics

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
দিনব্যাপী ঠাসা কর্মসূচি শেষে কক্সবাজার সফর সম্পন্ন করে রাজধানীতে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানটি রাত ১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে।
এর আগে শনিবার রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাথে নিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়কে যান এবং সেখানে সমুদ্র সৈকতের নৈসর্গিক সৌন্দর্য অবলোকন করেন। তার আগে তিনি চকরিয়ায় উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় যোগ দেন। জনসভা শেষে কক্সবাজার শহরে ফিরে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে কক্সবাজারের বিশিষ্টজনদের সাথে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
শনিবার সকালে আকাশপথে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানান।
সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় যান। সেখানে তার পিতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত 'পাতলী খাল' পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি।
এরপর তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন। সেখান থেকে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গিয়ে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী '২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন এবং নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করেন।
মালুমঘাট থেকে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় যান। সেখানে জুলাই আন্দোলনের চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম-এর কবর জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করেন। পরে তিনি শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সান্ত্বনা দেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন।
পেকুয়া সফরে তিনি নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। একই সফরে তিনি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবি 'মাতামুহুরি উপজেলা ও থানা' প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক ও নিটোল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পন্ন হয়।

আপনার মতামত লিখুন