আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের সচল কারখানাগুলোর প্রায় শতভাগেরই মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতন এবং ঈদের বোনাস এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই স্বস্তিদায়ক চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল মিলিয়ে বর্তমানে সর্বমোট সচল কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৩৪টি। এর মধ্যে শতভাগ কারখানাই মার্চ মাসের বেতন সম্পূর্ণ পরিশোধ করেছে।
দুই অঞ্চল মিলিয়ে ৯৯.৭২ শতাংশ অর্থাৎ ২,১২৮টি কারখানা এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে। ৯৯.৫৮ শতাংশ অর্থাৎ ২,১২৫টি কারখানায় ঈদ বোনাস দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটি শুরুর আগেই শ্রমিকদের আর্থিক স্বস্তি দিতে ৯৪.৮০ শতাংশ অর্থাৎ ২,০২৩টি কারখানা মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে।
| অঞ্চল | সচল কারখানা | এপ্রিলের বেতন পরিশোধ | ঈদ বোনাস পরিশোধ | মে মাসের অগ্রিম বেতন |
| ঢাকা জোন | ১,৭৯৪টি | ১,৭৯০টি (৯৯.৭৮%) | ১,৭৯০টি (৯৯.7৮%) | ১,৭০৩টি |
| চট্টগ্রাম জোন | ৩৪০টি | ৩৩৮টি | ৩৩৫টি | ৩২০টি |
ঢাকা জোনে মাত্র ৪টি কারখানায় এপ্রিলের বেতন ও বোনাস বকেয়া রয়েছে।
শ্রমিকদের সুশৃঙ্খলভাবে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে এবং মহাসড়কে তীব্র যানজট এড়াতে কারখানাগুলোতে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী শ্রমিকদের ঢাকা ছাড়ার হার নিচে দেওয়া হলো, ৬ শতাংশ (১০৮টি কারখানা) শ্রমিক ঢাকা ছেড়েছেন। ৩৭ শতাংশ (৬৬৪টি কারখানা) শ্রমিক ঢাকা ছেড়েছেন। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪৩ শতাংশ (৭৭১টি কারখানা) শ্রমিক রাজধানী ছাড়ছেন। অবশিষ্ট ১৪ শতাংশ (২৫১টি কারখানা) শ্রমিকের ঢাকা ছাড়ার মাধ্যমে এই পর্যায়ক্রমিক ছুটি সম্পন্ন হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের সহযোগিতার পাশাপাশি মালিক ও শ্রমিক পক্ষের ইতিবাচক ভূমিকার কারণে এবার সময়মতো বেতন-বোনাস পরিশোধ করা সম্ভব হয়েছে। সুপরিকল্পিত ছুটির এই উদ্যোগের ফলে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকেরা কোনো ধরনের বড় ভোগান্তি ছাড়াই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ পোশাক খাত, গার্মেন্টস শ্রমিক, বেতন-বোনাস, ঈদুল আজহা, ঈদযাত্রা ২০২৬, বিজিএমইএ, ঢাকা গার্মেন্টস, চট্টগ্রাম গার্মেন্টস, পোশাক কারখানা ছুটি, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন Garments Sector, RMG Workers, Salary and Bonus, Eid ul Adha, Eid Journey 2026, BGMEA, Dhaka Garments, Chittagong Garments, Garments Holiday, Labor Welfare

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের সচল কারখানাগুলোর প্রায় শতভাগেরই মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতন এবং ঈদের বোনাস এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই স্বস্তিদায়ক চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল মিলিয়ে বর্তমানে সর্বমোট সচল কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৩৪টি। এর মধ্যে শতভাগ কারখানাই মার্চ মাসের বেতন সম্পূর্ণ পরিশোধ করেছে।
দুই অঞ্চল মিলিয়ে ৯৯.৭২ শতাংশ অর্থাৎ ২,১২৮টি কারখানা এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেছে। ৯৯.৫৮ শতাংশ অর্থাৎ ২,১২৫টি কারখানায় ঈদ বোনাস দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটি শুরুর আগেই শ্রমিকদের আর্থিক স্বস্তি দিতে ৯৪.৮০ শতাংশ অর্থাৎ ২,০২৩টি কারখানা মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে।
| অঞ্চল | সচল কারখানা | এপ্রিলের বেতন পরিশোধ | ঈদ বোনাস পরিশোধ | মে মাসের অগ্রিম বেতন |
| ঢাকা জোন | ১,৭৯৪টি | ১,৭৯০টি (৯৯.৭৮%) | ১,৭৯০টি (৯৯.7৮%) | ১,৭০৩টি |
| চট্টগ্রাম জোন | ৩৪০টি | ৩৩৮টি | ৩৩৫টি | ৩২০টি |
ঢাকা জোনে মাত্র ৪টি কারখানায় এপ্রিলের বেতন ও বোনাস বকেয়া রয়েছে।
শ্রমিকদের সুশৃঙ্খলভাবে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে এবং মহাসড়কে তীব্র যানজট এড়াতে কারখানাগুলোতে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী শ্রমিকদের ঢাকা ছাড়ার হার নিচে দেওয়া হলো, ৬ শতাংশ (১০৮টি কারখানা) শ্রমিক ঢাকা ছেড়েছেন। ৩৭ শতাংশ (৬৬৪টি কারখানা) শ্রমিক ঢাকা ছেড়েছেন। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪৩ শতাংশ (৭৭১টি কারখানা) শ্রমিক রাজধানী ছাড়ছেন। অবশিষ্ট ১৪ শতাংশ (২৫১টি কারখানা) শ্রমিকের ঢাকা ছাড়ার মাধ্যমে এই পর্যায়ক্রমিক ছুটি সম্পন্ন হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের সহযোগিতার পাশাপাশি মালিক ও শ্রমিক পক্ষের ইতিবাচক ভূমিকার কারণে এবার সময়মতো বেতন-বোনাস পরিশোধ করা সম্ভব হয়েছে। সুপরিকল্পিত ছুটির এই উদ্যোগের ফলে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকেরা কোনো ধরনের বড় ভোগান্তি ছাড়াই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন