নজর বিডি

ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পরদিনই (শুক্রবার) রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে ব্রয়লার মুরগি, ডিম কিংবা মাছের দামে কোনো হেরফের দেখা যায়নি। 

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজেটে এসব পণ্যের ওপর সরাসরি কোনো নতুন কর বা শুল্ক আরোপ না করায় তাৎক্ষণিকভাবে বাজারদরে কোনো প্রভাব পড়েনি। ফলে ঈদের পর থেকে বাজারে যে দর চলছিল, আজকেও সেই একই দামে বিক্রি হচ্ছে এসব প্রোটিনজাত পণ্য।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম পুরোপুরি ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা। ডিম (ডজন প্রতি) সাদা ডিম ১১০ টাকা এবং লাল (ব্রাউন) ডিম ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, ‘বাজেটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো কিছুর দাম বাড়েনি। ঈদের পর ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি করেছি, আজকেও সেই দামেই বেচাকেনা চলছে।’

মাছের বাজারেও বাজেটের কোনো বাড়তি চাপ দেখা যায়নি। তবে জাত ও আকারভেদে বাজারে মাছের দামে নিয়মিত ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা রয়েছে। আজকের বাজারে বিভিন্ন মাছের কেজি প্রতি দর নিচে দেওয়া হলো,

পাঙাশ ও তেলাপিয়া পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২৩০ টাকা। রুই ও মৃগেল রুই ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। চিংড়ি আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা (বাজারে চিংড়ির দাম কিছুটা চড়া)। অন্যান্য মাছ পাবদা ও বায়লা ৩৫০ টাকা, কই ও টাকি ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা এবং দেশি টেংরা ও বাইন মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘ঈদের পর মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারে দাম না বাড়লে খুচরা বাজারে বাড়ার সুযোগ নেই। মাছের বাজারে বাজেটের কোনো প্রভাব নেই।’

বাজারে আসা চাকরিজীবী আবু দাউদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঈদের পর থেকে মাছ ও মুরগির বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাজেট ঘোষণার পরদিনও দাম বাড়েনি।

ডিম ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, ‘সরকার তো এই খাতে দাম বাড়ার মতো কোনো কর বাড়ায়নি। এরপরেও যদি হুট করে দাম বাড়ে, তবে বুঝতে হবে তা অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারণে বাড়ছে।’ সাধারণ ক্রেতারা আশা করছেন, বাজেট-পরবর্তী দিনগুলোতেও যেন প্রশাসন বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা এভাবে ধরে রাখে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ বাজেট ২০২৬-২৭, ব্রয়লার মুরগির দাম, ডিমের দাম, মাছের বাজার দর, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, রায়ের বাজার, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাজার বিশ্লেষণ Budget 2026-27, Broiler Chicken Price, Egg Price, Fish Market Rates, Mohammadpur Town Hall, Rayar Bazar, Daily Commodities, Market Analysis

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬

featured Image

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পরদিনই (শুক্রবার) রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে ব্রয়লার মুরগি, ডিম কিংবা মাছের দামে কোনো হেরফের দেখা যায়নি। 

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজেটে এসব পণ্যের ওপর সরাসরি কোনো নতুন কর বা শুল্ক আরোপ না করায় তাৎক্ষণিকভাবে বাজারদরে কোনো প্রভাব পড়েনি। ফলে ঈদের পর থেকে বাজারে যে দর চলছিল, আজকেও সেই একই দামে বিক্রি হচ্ছে এসব প্রোটিনজাত পণ্য।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম পুরোপুরি ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা। ডিম (ডজন প্রতি) সাদা ডিম ১১০ টাকা এবং লাল (ব্রাউন) ডিম ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, ‘বাজেটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো কিছুর দাম বাড়েনি। ঈদের পর ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি করেছি, আজকেও সেই দামেই বেচাকেনা চলছে।’

মাছের বাজারেও বাজেটের কোনো বাড়তি চাপ দেখা যায়নি। তবে জাত ও আকারভেদে বাজারে মাছের দামে নিয়মিত ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা রয়েছে। আজকের বাজারে বিভিন্ন মাছের কেজি প্রতি দর নিচে দেওয়া হলো,

পাঙাশ ও তেলাপিয়া পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২৩০ টাকা। রুই ও মৃগেল রুই ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। চিংড়ি আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা (বাজারে চিংড়ির দাম কিছুটা চড়া)। অন্যান্য মাছ পাবদা ও বায়লা ৩৫০ টাকা, কই ও টাকি ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা এবং দেশি টেংরা ও বাইন মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘ঈদের পর মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারে দাম না বাড়লে খুচরা বাজারে বাড়ার সুযোগ নেই। মাছের বাজারে বাজেটের কোনো প্রভাব নেই।’

বাজারে আসা চাকরিজীবী আবু দাউদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঈদের পর থেকে মাছ ও মুরগির বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাজেট ঘোষণার পরদিনও দাম বাড়েনি।

ডিম ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, ‘সরকার তো এই খাতে দাম বাড়ার মতো কোনো কর বাড়ায়নি। এরপরেও যদি হুট করে দাম বাড়ে, তবে বুঝতে হবে তা অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারণে বাড়ছে।’ সাধারণ ক্রেতারা আশা করছেন, বাজেট-পরবর্তী দিনগুলোতেও যেন প্রশাসন বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা এভাবে ধরে রাখে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত