গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নারী, তার তিন শিশুসন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। তিনি নিহত শারমিন আক্তারের পরিবারের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় নিহত রসুল হোসেন ও শারমিন আক্তারের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন এমপি ডা. কেএম বাবর।
এ সময় তিনি নিহত শারমিন আক্তারের বাবা শাহাদাত মোল্লাকে আশ্বস্ত করে বলেন, পরিবারের যোগ্য সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এতে পরিবারটি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল থাকতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় শারমিন আক্তার, তার তিন সন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
নিহতরা হলেন—শারমিন আক্তার (৩৫), তার সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া (১), এবং তার ভাই রসুল হোসেন।
শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করতেন।
ঘটনার পর থেকেই শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নারী, তার তিন শিশুসন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। তিনি নিহত শারমিন আক্তারের পরিবারের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় নিহত রসুল হোসেন ও শারমিন আক্তারের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন এমপি ডা. কেএম বাবর।
এ সময় তিনি নিহত শারমিন আক্তারের বাবা শাহাদাত মোল্লাকে আশ্বস্ত করে বলেন, পরিবারের যোগ্য সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এতে পরিবারটি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল থাকতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় শারমিন আক্তার, তার তিন সন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
নিহতরা হলেন—শারমিন আক্তার (৩৫), তার সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া (১), এবং তার ভাই রসুল হোসেন।
শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করতেন।
ঘটনার পর থেকেই শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন।

আপনার মতামত লিখুন