রাজধানীর তুরাগে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২০ মে, ২০২৬) সকালে উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর ব্রিজের ওপর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশনায় এসআই মো. আল মামুন ও এএসআই মো. কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ উত্তরা উত্তর মেট্রোস্টেশন এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট ডিউটি করছিলেন। এসময় ৩ নম্বর ব্রিজে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের একটি গোপন সমাবেশের খবর পায় পুলিশ।
খবর পেয়ে পুলিশ দল তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে বিশেষ অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার মুখে তিনজনকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শিপন সেওজাল (৪৩): কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। মিজানুর রহমান নিহাজ খান (৩৭): ছাত্রলীগ কর্মী। রায়হান আলী (২৪): ছাত্রলীগ কর্মী।
গ্রেফতারের পর আসামিদের হেফাজত থেকে সংগঠনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দলীয় প্রধানের সপক্ষে স্লোগান সংবলিত দুইটি ব্যানার উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, উত্তরার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবণতি ঘটানোর উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে গোপন জমায়েত হয়েছিলেন।
তুরাগ থানা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় আগের একাধিক রাজনৈতিক ও সহিংস ঘটনার মামলা রয়েছে। বর্তমান নাশকতার পরিকল্পনার ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পুলিশি নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ উত্তরা ঢাকা, তুরাগ থানা, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার, নিষিদ্ধ সংগঠন, নাশকতার পরিকল্পনা, শিপন সেওজাল, উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টর, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি Uttara Dhaka, Turag Thana, Chhatra League leader arrested, Banned organization, Sabotage plan, Shipon Seojal, Uttara Sector 15, Law and order 2026

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
রাজধানীর তুরাগে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২০ মে, ২০২৬) সকালে উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর ব্রিজের ওপর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশনায় এসআই মো. আল মামুন ও এএসআই মো. কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ উত্তরা উত্তর মেট্রোস্টেশন এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট ডিউটি করছিলেন। এসময় ৩ নম্বর ব্রিজে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের একটি গোপন সমাবেশের খবর পায় পুলিশ।
খবর পেয়ে পুলিশ দল তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে বিশেষ অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার মুখে তিনজনকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শিপন সেওজাল (৪৩): কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। মিজানুর রহমান নিহাজ খান (৩৭): ছাত্রলীগ কর্মী। রায়হান আলী (২৪): ছাত্রলীগ কর্মী।
গ্রেফতারের পর আসামিদের হেফাজত থেকে সংগঠনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দলীয় প্রধানের সপক্ষে স্লোগান সংবলিত দুইটি ব্যানার উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, উত্তরার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবণতি ঘটানোর উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে গোপন জমায়েত হয়েছিলেন।
তুরাগ থানা সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় আগের একাধিক রাজনৈতিক ও সহিংস ঘটনার মামলা রয়েছে। বর্তমান নাশকতার পরিকল্পনার ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পুলিশি নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন