চলতি হজ মৌসুম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার আগেই আগামী বছরের হজ মৌসুমের জোরদার প্রস্তুতি ও রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়াহ।
মূলত হজযাত্রীদের সেবার মান আরও উন্নত করা এবং সামগ্রিক কার্যক্রমের গতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আগাম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২০ মে) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল সার্ভিসেস জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আয়োজিত 'হজ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ফোরাম'-এর তৃতীয় সংস্করণের এক প্যানেল আলোচনায় মন্ত্রী এই তথ্য জানান।
তৌফিক আল-রাবিয়াহ বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, হজ বিষয়ক কার্যালয় এবং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে এই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তী হজের মূল প্রস্তুতি মূলত শুরু হয় চলতি জিলহজ মাসের ১২ তারিখ থেকেই। ওই দিনই বিভিন্ন দেশের হজ কার্যালয়ের প্রধান এবং সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে আগামী বছরের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ তৈরি করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, গত মৌসুম থেকেই মন্ত্রণালয় বিশ্বের ৭৮টি দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা অনুযায়ী বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
এই মহাপরিকল্পনার আওতায়—পবিত্র স্থানগুলোর আধুনিক ব্যবস্থাপনা, মক্কা ও মদিনায় উন্নত আবাসন ব্যবস্থা, নির্বিঘ্ন পরিবহন ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ, বিমান পরিষেবাসহ যাবতীয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
এছাড়া, বিভিন্ন দেশের হজ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে নিয়মিত ভার্চুয়াল বৈঠক করা হচ্ছে বলেও নিশ্চিত করেছেন সৌদি হজ মন্ত্রী।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
চলতি হজ মৌসুম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার আগেই আগামী বছরের হজ মৌসুমের জোরদার প্রস্তুতি ও রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়াহ।
মূলত হজযাত্রীদের সেবার মান আরও উন্নত করা এবং সামগ্রিক কার্যক্রমের গতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আগাম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (২০ মে) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল সার্ভিসেস জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আয়োজিত 'হজ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ফোরাম'-এর তৃতীয় সংস্করণের এক প্যানেল আলোচনায় মন্ত্রী এই তথ্য জানান।
তৌফিক আল-রাবিয়াহ বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, হজ বিষয়ক কার্যালয় এবং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে এই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তী হজের মূল প্রস্তুতি মূলত শুরু হয় চলতি জিলহজ মাসের ১২ তারিখ থেকেই। ওই দিনই বিভিন্ন দেশের হজ কার্যালয়ের প্রধান এবং সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে আগামী বছরের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ তৈরি করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, গত মৌসুম থেকেই মন্ত্রণালয় বিশ্বের ৭৮টি দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা অনুযায়ী বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
এই মহাপরিকল্পনার আওতায়—পবিত্র স্থানগুলোর আধুনিক ব্যবস্থাপনা, মক্কা ও মদিনায় উন্নত আবাসন ব্যবস্থা, নির্বিঘ্ন পরিবহন ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ, বিমান পরিষেবাসহ যাবতীয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
এছাড়া, বিভিন্ন দেশের হজ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে নিয়মিত ভার্চুয়াল বৈঠক করা হচ্ছে বলেও নিশ্চিত করেছেন সৌদি হজ মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন