নজর বিডি

কোরবানির পরিবর্তে আকিকা নয়, বরং কোরবানিই আবশ্যক

কোরবানির পরিবর্তে আকিকা নয়, বরং কোরবানিই আবশ্যক

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কোরবানি এবং আকিকা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ইবাদত, যার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তাও আলাদা। 

ঈদুল আজহার নির্দিষ্ট দিনগুলোতে (১০, ১১ ও ১২ জিলহজ) নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, এমন প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। পক্ষান্তরে, সন্তান জন্মের পর আকিকা করা একটি মুস্তাহাব (উত্তম) আমল।

সুতরাং, ওয়াজিব ছেড়ে মুস্তাহাব আমলকে প্রাধান্য দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি না দিয়ে শুধু আকিকা করলে ওয়াজিব তরক করার কারণে গুনাহগার হতে হবে। তবে আকিকা সঠিক সময়ে (যেমন সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে) করতে না পারলে পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে করলেও কোনো গুনাহ হয় না।

অনেক সময় ঋণগ্রস্ত থাকার কারণে অনেকে কোরবানি না দিয়ে আকিকা করতে চান। এক্ষেত্রে শরিয়তের নিয়ম হলো— একজন ব্যক্তির মোট সম্পদ থেকে তার তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য ঋণ বাদ দেওয়ার পর যদি সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমমূল্যের অতিরিক্ত সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক।

কোরবানি বাদ দিয়ে আকিকা না করে, বরং কোরবানির পশুর সাথেই আকিকার নিয়ত করা যেতে পারে। বড় পশু অর্থাৎ গরু, মহিষ বা উটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাতটি অংশ নেওয়া যায়। এই বড় পশুর অংশগুলোতে কোরবানির পাশাপাশি আকিকার অংশ শরিক করা সম্পূর্ণ জায়েজ।

এর ফলে একই পশুতে কোরবানি এবং আকিকা—দুটি বিধানই একসাথে আদায় হয়ে যাবে।

শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে ছেলের জন্য দুই অংশ এবং মেয়ের জন্য এক অংশ রাখা উত্তম।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ কোরবানি ও আকিকা, কোরবানি ওয়াজিব, আকিকা করার নিয়ম, কোরবানির নেসাব, যৌথ কোরবানি ও আকিকা, ইসলামি সওয়াল জবাব, ধর্ম ডেস্ক, Qurbani and Aqeeqah, Qurbani Rules, Aqeeqah Rules, Qurbani Nisab, Joint Qurbani and Aqeeqah, Islamic Rules, Religion News

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


কোরবানির পরিবর্তে আকিকা নয়, বরং কোরবানিই আবশ্যক

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কোরবানি এবং আকিকা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ইবাদত, যার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তাও আলাদা। 

ঈদুল আজহার নির্দিষ্ট দিনগুলোতে (১০, ১১ ও ১২ জিলহজ) নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, এমন প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। পক্ষান্তরে, সন্তান জন্মের পর আকিকা করা একটি মুস্তাহাব (উত্তম) আমল।

সুতরাং, ওয়াজিব ছেড়ে মুস্তাহাব আমলকে প্রাধান্য দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি না দিয়ে শুধু আকিকা করলে ওয়াজিব তরক করার কারণে গুনাহগার হতে হবে। তবে আকিকা সঠিক সময়ে (যেমন সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে) করতে না পারলে পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে করলেও কোনো গুনাহ হয় না।

অনেক সময় ঋণগ্রস্ত থাকার কারণে অনেকে কোরবানি না দিয়ে আকিকা করতে চান। এক্ষেত্রে শরিয়তের নিয়ম হলো— একজন ব্যক্তির মোট সম্পদ থেকে তার তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য ঋণ বাদ দেওয়ার পর যদি সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমমূল্যের অতিরিক্ত সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক।

কোরবানি বাদ দিয়ে আকিকা না করে, বরং কোরবানির পশুর সাথেই আকিকার নিয়ত করা যেতে পারে। বড় পশু অর্থাৎ গরু, মহিষ বা উটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাতটি অংশ নেওয়া যায়। এই বড় পশুর অংশগুলোতে কোরবানির পাশাপাশি আকিকার অংশ শরিক করা সম্পূর্ণ জায়েজ।

এর ফলে একই পশুতে কোরবানি এবং আকিকা—দুটি বিধানই একসাথে আদায় হয়ে যাবে।

শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে ছেলের জন্য দুই অংশ এবং মেয়ের জন্য এক অংশ রাখা উত্তম।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত