কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক গাড়ি বা মোটরযান থাকলে অতিরিক্ত কর দিতে হবে, যা ‘পরিবেশ সারচার্জ’ হিসেবে পরিচিত। আগের বছরের ধারাবাহিকতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও একের অধিক গাড়ি থাকলে বিভিন্ন হারে এই পরিবেশ সারচার্জ দেওয়ার বিধান বহাল রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কর্তৃক উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দূষণ ও কার্বন নির্গমন হ্রাসের অংশ হিসেবে কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক মোটরগাড়ি থাকলে প্রথম গাড়িটি বাদে পরবর্তী প্রত্যেকটি গাড়ির জন্য নির্দিষ্ট হারে সারচার্জ দিতে হবে। গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষমতা (সিসি) বা কিলোওয়াট (kW) ভেদে এই সারচার্জের হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
| গাড়ির ধারণক্ষমতা (সিসি / কিলোওয়াট) | পরিবেশ সারচার্জের হার (বার্ষিক) |
| ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ২৫,০০০ টাকা |
| ১৫০১ থেকে ২০০০ সিসি বা ৭৬ থেকে ১০০ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ৫০,০০০ টাকা |
| ২০০১ থেকে ২৫০০ সিসি বা ১০১ থেকে ১২৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ৭৫,০০০ টাকা |
| ২৫MDE থেকে ৩০০০ সিসি বা ১২৬ থেকে ১৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ১,৫০,০০০ টাকা |
| ৩০০১ থেকে ৩৫০০ সিসি বা ১৫১ থেকে ১৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ২,০০,০০০ টাকা |
| ৩৫০০ সিসির ঊর্ধ্বে বা ১৭৫ কিলোওয়াটের বেশি হলে | ৩,৫০,০০০ টাকা |
বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির একাধিক গাড়ি থাকলে যে গাড়ির ওপর সর্বনিম্ন হারে পরিবেশ সারচার্জ আরোপিত হওয়ার কথা, সেই গাড়িটি এই করের আওতামুক্ত থাকবে। অর্থাৎ, সবচেয়ে কম সিসির গাড়িটি বাদ দিয়ে বাকি অন্য সব গাড়ির বিপরীতে এই পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হবে।
এই সারচার্জের টাকা গাড়ির মালিকদের আলাদাভাবে জমা দিতে হবে না। গাড়িগুলোর বার্ষিক নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করার সময়েই সংশ্লিষ্ট নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) উৎসে কর হিসেবে এই পরিবেশ সারচার্জ সংগ্রহ করবে।
উল্লেখ্য, ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ একাধিক গাড়ির ট্যাক্স, পরিবেশ সারচার্জ ২০২৬, গাড়ি সিসি অনুযায়ী কর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৬-২৭, বিআরটিএ ফিটনেস ট্যাক্স, কার্বন ট্যাক্স বাংলাদেশ, মোটরযান নিবন্ধন কর, জাতীয় বাজেট ২০২৬, বাংলাদেশ বাজেট আপডেট Environmental Surcharge Bangladesh, Tax on multiple cars, Car CC tax rate 2026, Finance Minister Amir Khasru Mahmud Chowdhury, Budget 2026-27, BRTA fitness renewal tax, Carbon tax Bangladesh, National budget 2026, Vehicle registration surcharge

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক গাড়ি বা মোটরযান থাকলে অতিরিক্ত কর দিতে হবে, যা ‘পরিবেশ সারচার্জ’ হিসেবে পরিচিত। আগের বছরের ধারাবাহিকতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও একের অধিক গাড়ি থাকলে বিভিন্ন হারে এই পরিবেশ সারচার্জ দেওয়ার বিধান বহাল রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কর্তৃক উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দূষণ ও কার্বন নির্গমন হ্রাসের অংশ হিসেবে কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক মোটরগাড়ি থাকলে প্রথম গাড়িটি বাদে পরবর্তী প্রত্যেকটি গাড়ির জন্য নির্দিষ্ট হারে সারচার্জ দিতে হবে। গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষমতা (সিসি) বা কিলোওয়াট (kW) ভেদে এই সারচার্জের হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
| গাড়ির ধারণক্ষমতা (সিসি / কিলোওয়াট) | পরিবেশ সারচার্জের হার (বার্ষিক) |
| ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ২৫,০০০ টাকা |
| ১৫০১ থেকে ২০০০ সিসি বা ৭৬ থেকে ১০০ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ৫০,০০০ টাকা |
| ২০০১ থেকে ২৫০০ সিসি বা ১০১ থেকে ১২৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ৭৫,০০০ টাকা |
| ২৫MDE থেকে ৩০০০ সিসি বা ১২৬ থেকে ১৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ১,৫০,০০০ টাকা |
| ৩০০১ থেকে ৩৫০০ সিসি বা ১৫১ থেকে ১৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত | ২,০০,০০০ টাকা |
| ৩৫০০ সিসির ঊর্ধ্বে বা ১৭৫ কিলোওয়াটের বেশি হলে | ৩,৫০,০০০ টাকা |
বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির একাধিক গাড়ি থাকলে যে গাড়ির ওপর সর্বনিম্ন হারে পরিবেশ সারচার্জ আরোপিত হওয়ার কথা, সেই গাড়িটি এই করের আওতামুক্ত থাকবে। অর্থাৎ, সবচেয়ে কম সিসির গাড়িটি বাদ দিয়ে বাকি অন্য সব গাড়ির বিপরীতে এই পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হবে।
এই সারচার্জের টাকা গাড়ির মালিকদের আলাদাভাবে জমা দিতে হবে না। গাড়িগুলোর বার্ষিক নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করার সময়েই সংশ্লিষ্ট নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) উৎসে কর হিসেবে এই পরিবেশ সারচার্জ সংগ্রহ করবে।
উল্লেখ্য, ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

আপনার মতামত লিখুন