রাজধানীর মিরপুরের হযরত শাহ আলী (র.)-এর মাজারে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিশৃঙ্খল ঘটনার সঙ্গে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৬ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, গত ১৪ মে দিবাগত রাতে মিরপুরের শাহ আলী মাজার প্রাঙ্গণে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই। কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়, মাজার বা সাধারণ দর্শনার্থীদের ওপর হামলা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা ছাত্রশিবিরের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন না করেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো কোনো কর্মকর্তা এবং কিছু গণমাধ্যম সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ছাত্রশিবিরের নাম জড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। একটি বিশেষ মহলের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল এবং ছাত্রশিবিরের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রশাসনের অন্য একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনাটি আসলে স্থানীয় মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সাধারণ জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ ও বিশৃঙ্খলা ছিল।
ছাত্রশিবির অনতিবিলম্বে এই ধরনের দায়িত্বহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের হযরত শাহ আলী (র.)-এর মাজারে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিশৃঙ্খল ঘটনার সঙ্গে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৬ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, গত ১৪ মে দিবাগত রাতে মিরপুরের শাহ আলী মাজার প্রাঙ্গণে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই। কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়, মাজার বা সাধারণ দর্শনার্থীদের ওপর হামলা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা ছাত্রশিবিরের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক ঐতিহ্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন না করেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো কোনো কর্মকর্তা এবং কিছু গণমাধ্যম সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ছাত্রশিবিরের নাম জড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। একটি বিশেষ মহলের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল এবং ছাত্রশিবিরের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রশাসনের অন্য একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনাটি আসলে স্থানীয় মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সাধারণ জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ ও বিশৃঙ্খলা ছিল।
ছাত্রশিবির অনতিবিলম্বে এই ধরনের দায়িত্বহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন