সীমান্তে অব্যাহত বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর আস-সাঈদ মিলনায়তনে সংগঠনের তিন দিনব্যাপী তারবিয়াতের সমাপনী অধিবেশনে এই নিন্দা জানানো হয়।
অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেন, ভারতের সীমান্ত আগ্রাসনের শিকার হয়ে বিএসএফ কর্তৃক লালমনিরহাট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকদের সীমান্তে গুলি করে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নেতারা অভিযোগ করেন, সীমান্তে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে ভারত সরকার ও বিএসএফ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ন্যূনতম নীতিকেও উপেক্ষা করছে। এই বিষয়ে সরকারের দুর্বল ও নিষ্ক্রিয় অবস্থানে দেশের জনগণ হতাশ।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর মুসলিম জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় হামলার ঘটনাকে পরিকল্পিত ও গভীর উদ্বেগজনক উল্লেখ করে ভারত সরকারকে তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
অবিলম্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লালমনিরহাটসহ সীমান্ত হত্যার ঘটনায় ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব, আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি উত্থাপন এবং নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও দোষীদের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান বক্তারা।
সমাপনী অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হোসাইন ইবনে সরোয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীলসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সীমান্তে অব্যাহত বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর আস-সাঈদ মিলনায়তনে সংগঠনের তিন দিনব্যাপী তারবিয়াতের সমাপনী অধিবেশনে এই নিন্দা জানানো হয়।
অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেন, ভারতের সীমান্ত আগ্রাসনের শিকার হয়ে বিএসএফ কর্তৃক লালমনিরহাট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকদের সীমান্তে গুলি করে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নেতারা অভিযোগ করেন, সীমান্তে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে ভারত সরকার ও বিএসএফ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ন্যূনতম নীতিকেও উপেক্ষা করছে। এই বিষয়ে সরকারের দুর্বল ও নিষ্ক্রিয় অবস্থানে দেশের জনগণ হতাশ।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর মুসলিম জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় হামলার ঘটনাকে পরিকল্পিত ও গভীর উদ্বেগজনক উল্লেখ করে ভারত সরকারকে তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
অবিলম্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লালমনিরহাটসহ সীমান্ত হত্যার ঘটনায় ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব, আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি উত্থাপন এবং নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও দোষীদের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান বক্তারা।
সমাপনী অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হোসাইন ইবনে সরোয়ার, সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মাদ ইবরাহীম খলীলসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন