নজর বিডি

তারেক রহমান সরকারের ৯০ দিন

সংস্কারের সদিচ্ছা ও বাস্তবতার চ্যালেঞ্জ

সংস্কারের সদিচ্ছা ও বাস্তবতার চ্যালেঞ্জ
ছবি: নজরবিডি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান এমপি’র শপথ গ্রহণের পর আজ পূর্ণ হলো নতুন সরকারের প্রথম ৯০ দিন বা ৩ মাস। 

দায়িত্ব গ্রহণের এই স্বল্প সময়ে সরকারের নীতিগত দর্শন, সংস্কারের সদিচ্ছা এবং ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার একটি প্রাথমিক খতিয়ান তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আসিফ মিজান। তাঁর মতে, এই ৯০ দিনে সরকারের যেমন কিছু জনমুখী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ ছিল, তেমনি নীতিগত সিদ্ধান্ত ও জনস্বাস্থ্য সংকটের কারণে সরকারকে বেশ কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও সমালোচনার মুখোমুখিও হতে হয়েছে।

নতুন সরকারের প্রথম ৩ মাসের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে ‘প্রটোকলহীন জনবান্ধব’ সংস্কৃতির প্রবর্তন। প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ মানুষের মতো যানজটে চলাচল, পায়ে হেঁটে সচিবালয়ে যাওয়া কিংবা সাধারণ গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মতো আচরণগুলো নাগরিক সমাজে গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এর পাশাপাশি, প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রতা ও ফাইল জট কমাতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারেও নিয়মিত অফিস করার সিদ্ধান্ত আমলাতন্ত্রের গতিশীলতা বৃদ্ধি করেছে, যাকে সুশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘আচরণগত সংস্কার’ (Behavioral Reform) হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিগত ১৭ বছরের পুঞ্জীভূত অর্থনৈতিক অনিয়ম ও তারল্য সংকটের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নিয়েও প্রথম ৯০ দিনে সামষ্টিক অর্থনীতিতে বেশ কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।

ব্যাংকিং খাতে কঠোর অবস্থান এবং আইএমএফের বিপিএম-৬ (BPM-6) পদ্ধতি অনুসরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ৩৫.৬২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে মাত্র ১০ দিনে ১২ লাখ প্রান্তিক কৃষকের বকেয়া ঋণ (১০ হাজার টাকা পর্যন্ত) মওকুফ, 'কৃষক কার্ড' বিতরণ এবং চাঁদপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে 'খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন' ও জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করা হচ্ছে।

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকার নিত্যপণ্য সহায়তার 'ফ্যামিলি কার্ড' এবং টিসিবির সুলভ মূল্যের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সরকারের একটি 'কল্যাণমুখী রাষ্ট্র' (Welfare State) ইমেজ তৈরি করেছে।

সড়ক-মহাসড়ক ও বাজার থেকে চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট ভাঙতে যৌথবাহিনীর ক্র্যাকডাউন এবং পুলিশিং সংস্কার সাধারণ মানুষের মনে সাময়িক স্বস্তি এনেছে।

মনমাতানো অর্জনের সমান্তরালে গত ৯০ দিনে সরকারকে কিছু গভীর সংকটেরও মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা সুশীল সমাজ ও বিরোধী দলের সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই ৩ মাসে দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাবে চার শতাধিক শিশুর অকাল মৃত্যু সরকারের একটি বড় অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা হিসেবে সামনে এসেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ধীরগতির টিকাদান কর্মসূচি ও সমন্বয়হীনতার কারণে বিরোধী দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ব্যাংক কর্মকর্তাদের একাংশের প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে একটি নেতিবাচক নজির সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চাল, ডাল ও তেলের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো সত্ত্বেও অসাধু সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই কারণে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ অভিযোগ তুলেছেন যে, সরকার দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘পাবলিক রিলেশনস’ (PR) বা ইমেজের প্রচারণাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সামরিক ও রাজনৈতিক সংকটে ইরানের পাল্টা আঘাতের বিরুদ্ধে সরকারের আনুষ্ঠানিক ও একপেশে নিন্দা জ্ঞাপনকে অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ‘ভারসাম্যহীন’ পররাষ্ট্র নীতি বলে অভিহিত করেছেন। তবে অনেকে একে সরকারের বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত বলেও মনে করেন।

প্রফেসর ড. আসিফ মিজান তাঁর বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীল ব্যবস্থার পর ক্ষমতা গ্রহণ করে মাত্র ৯০ দিনে জাদুর কাঠির মতো সব সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। তবে ‘চমক বা পপুলিজম’ দিয়ে সাময়িক প্রশংসা মিললেও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন। ১০০ দিনের মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে তিনি সরকারকে ৩টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন: ১. বাংলাদেশ ব্যাংক ও নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত রেখে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া। ২. কেবল শুল্ক হ্রাস নয়, মাঠ পর্যায়ে মূল্য তালিকা কার্যকর করতে কঠোর তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এবং হাম ও ডেঙ্গু মোকাবিলায় আপৎকালীন টাস্কফোর্স গঠন করা। ৩. যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে নিবিড় হোমওয়ার্ক ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করা, যাতে পরবর্তীতে ‘ইউ-টার্ন’ নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

পরিশেষে বলা যায়, প্রথম ৯০ দিনে সরকারের সংস্কারমুখী মনোভাব ও সদিচ্ছা প্রশংসনীয় হলেও, জনগণের আকাশচুম্বী প্রত্যাশার পারদ ছুঁতে আগামী দিনগুলোতে সরকারের স্বচ্ছতা ও বাস্তব দক্ষতা প্রদর্শনের পরীক্ষা আরও কঠিন হবে।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ তারেক রহমান, নতুন সরকার, ৯০ দিনের খতিয়ান, বাংলাদেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত, ড. আসিফ মিজান, মূল্যস্ফীতি, জনস্বাস্থ্য সংকট, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সুশাসন Tarique Rahman, New Government, 90 Days Performance, Bangladesh Economy, Banking Sector, Dr. Asif Mizan, Inflation, Public Health Crisis, 13th National Parliament Election, Good Governance

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


সংস্কারের সদিচ্ছা ও বাস্তবতার চ্যালেঞ্জ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান এমপি’র শপথ গ্রহণের পর আজ পূর্ণ হলো নতুন সরকারের প্রথম ৯০ দিন বা ৩ মাস। 

দায়িত্ব গ্রহণের এই স্বল্প সময়ে সরকারের নীতিগত দর্শন, সংস্কারের সদিচ্ছা এবং ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার একটি প্রাথমিক খতিয়ান তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আসিফ মিজান। তাঁর মতে, এই ৯০ দিনে সরকারের যেমন কিছু জনমুখী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ ছিল, তেমনি নীতিগত সিদ্ধান্ত ও জনস্বাস্থ্য সংকটের কারণে সরকারকে বেশ কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও সমালোচনার মুখোমুখিও হতে হয়েছে।

নতুন সরকারের প্রথম ৩ মাসের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে ‘প্রটোকলহীন জনবান্ধব’ সংস্কৃতির প্রবর্তন। প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ মানুষের মতো যানজটে চলাচল, পায়ে হেঁটে সচিবালয়ে যাওয়া কিংবা সাধারণ গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার মতো আচরণগুলো নাগরিক সমাজে গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এর পাশাপাশি, প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রতা ও ফাইল জট কমাতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারেও নিয়মিত অফিস করার সিদ্ধান্ত আমলাতন্ত্রের গতিশীলতা বৃদ্ধি করেছে, যাকে সুশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘আচরণগত সংস্কার’ (Behavioral Reform) হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিগত ১৭ বছরের পুঞ্জীভূত অর্থনৈতিক অনিয়ম ও তারল্য সংকটের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নিয়েও প্রথম ৯০ দিনে সামষ্টিক অর্থনীতিতে বেশ কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।

ব্যাংকিং খাতে কঠোর অবস্থান এবং আইএমএফের বিপিএম-৬ (BPM-6) পদ্ধতি অনুসরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ৩৫.৬২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে মাত্র ১০ দিনে ১২ লাখ প্রান্তিক কৃষকের বকেয়া ঋণ (১০ হাজার টাকা পর্যন্ত) মওকুফ, 'কৃষক কার্ড' বিতরণ এবং চাঁদপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে 'খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন' ও জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করা হচ্ছে।

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকার নিত্যপণ্য সহায়তার 'ফ্যামিলি কার্ড' এবং টিসিবির সুলভ মূল্যের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সরকারের একটি 'কল্যাণমুখী রাষ্ট্র' (Welfare State) ইমেজ তৈরি করেছে।

সড়ক-মহাসড়ক ও বাজার থেকে চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট ভাঙতে যৌথবাহিনীর ক্র্যাকডাউন এবং পুলিশিং সংস্কার সাধারণ মানুষের মনে সাময়িক স্বস্তি এনেছে।

মনমাতানো অর্জনের সমান্তরালে গত ৯০ দিনে সরকারকে কিছু গভীর সংকটেরও মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা সুশীল সমাজ ও বিরোধী দলের সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই ৩ মাসে দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাবে চার শতাধিক শিশুর অকাল মৃত্যু সরকারের একটি বড় অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা হিসেবে সামনে এসেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ধীরগতির টিকাদান কর্মসূচি ও সমন্বয়হীনতার কারণে বিরোধী দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ব্যাংক কর্মকর্তাদের একাংশের প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে একটি নেতিবাচক নজির সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চাল, ডাল ও তেলের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো সত্ত্বেও অসাধু সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই কারণে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ অভিযোগ তুলেছেন যে, সরকার দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘পাবলিক রিলেশনস’ (PR) বা ইমেজের প্রচারণাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সামরিক ও রাজনৈতিক সংকটে ইরানের পাল্টা আঘাতের বিরুদ্ধে সরকারের আনুষ্ঠানিক ও একপেশে নিন্দা জ্ঞাপনকে অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ‘ভারসাম্যহীন’ পররাষ্ট্র নীতি বলে অভিহিত করেছেন। তবে অনেকে একে সরকারের বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত বলেও মনে করেন।

প্রফেসর ড. আসিফ মিজান তাঁর বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীল ব্যবস্থার পর ক্ষমতা গ্রহণ করে মাত্র ৯০ দিনে জাদুর কাঠির মতো সব সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। তবে ‘চমক বা পপুলিজম’ দিয়ে সাময়িক প্রশংসা মিললেও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন। ১০০ দিনের মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে তিনি সরকারকে ৩টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন: ১. বাংলাদেশ ব্যাংক ও নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত রেখে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া। ২. কেবল শুল্ক হ্রাস নয়, মাঠ পর্যায়ে মূল্য তালিকা কার্যকর করতে কঠোর তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা এবং হাম ও ডেঙ্গু মোকাবিলায় আপৎকালীন টাস্কফোর্স গঠন করা। ৩. যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে নিবিড় হোমওয়ার্ক ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করা, যাতে পরবর্তীতে ‘ইউ-টার্ন’ নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

পরিশেষে বলা যায়, প্রথম ৯০ দিনে সরকারের সংস্কারমুখী মনোভাব ও সদিচ্ছা প্রশংসনীয় হলেও, জনগণের আকাশচুম্বী প্রত্যাশার পারদ ছুঁতে আগামী দিনগুলোতে সরকারের স্বচ্ছতা ও বাস্তব দক্ষতা প্রদর্শনের পরীক্ষা আরও কঠিন হবে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত